Pakistan money for Jaish HQ Rebuild: জইশের ‘জঙ্গি কারখানা’ পুনর্নিমাণ করতে ২৫ কোটি দিল পাকিস্তান! ধ্বংস করে দেয় ভারত

Pakistan money for Jaish HQ Rebuild: অপারেশন সিঁদুরে ভাওয়ালপুরে জইশ-ই-মহম্মদ সদর দফতর গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সদর দফতরের পুনর্নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। সেজন্য টাকাও দিয়েছে পাকিস্তান।

Published on: Aug 23, 2026, 21:50:43 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Pakistan money for Jaish HQ Rebuild: অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। ১৫ মাসের মাথায় ভাওয়ালপুরে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতরের পুনর্নিমাণের কাজ শেষ হল বলে সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে জানানো হল। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে যে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত জইশের সদর দফতরে নতুন মার্বেল পাথর বসানো হয়েছে। নতুন করে করা হয়েছে রং এবং প্লাস্টার। ভারতের আক্রমণে যে গম্বুজগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, সেগুলির পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। সেন্ট্রাল হলও পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

অপারেশন সিঁদুরে ভাওয়ালপুরে জইশের সদর দফতর গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স/এএনআই)
অপারেশন সিঁদুরে ভাওয়ালপুরে জইশের সদর দফতর গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স/এএনআই)

২৫ কোটি রুপি দিয়েছে পাকিস্তান, শুধু কেন্দ্রীয় হলের জন্যই ১১ কোটি

সেই পুনর্নির্মাণের কাজের জন্য পাকিস্তান সরকারও টাকা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পুনর্নির্মাণের কাজের জন্য জঙ্গি সংগঠন জইশকে ২৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি দিয়েছে ইসলামাবাদ। শুধু কেন্দ্রীয় হলই নতুন করে তৈরি করার জন্য দেওয়া হয়েছে ১১ কোটি পাকিস্তান রুপি। তাছাড়া মূল কমপ্লেক্সের ধ্বংসস্তূপও পরিষ্কার করা হয়েছে। সেখানে নতুন করে নির্মাণের কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: Union Ministers Delhi home repair cost: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বাড়ি সংস্কারে ১ বছরেই খরচ ৯২.৩৫ কোটি, আগে কত ছিল?

জইশের ‘জঙ্গি কারখানা’ ভাওয়ালপুর

যে ভাওয়ালপুরের সদর দফতর পুনর্নিমাণ করা হয়েছে, তা জইশের ‘জঙ্গি কারখানা’ ছিল। আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মারকাজ সুবহান আল্লাহ (জইশের সদর দফতর) ছিল জইশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল, যা জঙ্গি বানানো, প্রশিক্ষণ এবং মগজধোালাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হত। ১৮ একর আয়তনের এই কমপ্লেক্সের মধ্যে একটি মসজিদও ছিল।

আরও পড়ুন: East Bengal scripts history in Asia: এশিয়ায় ইতিহাস ইস্টবেঙ্গলের! ওড়াল ভারতের পতাকা, আবার কলকাতায় নৌকা ডোবালেন ছেলেরা

ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপ চলত ভাওয়ালপুর থেকে

আর ভাওয়ালপুরে জইশের দফতর তো দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। ২০০১ সালে ভারতীয় সংসদ ভবনে হামলা, ২০১৬ সালে পাঠানকোট হামলা এবং ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলা-সহ একাধিক বড়সড় হামলার ঘটনার সঙ্গে জইশের যোগসূত্র আছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, পুলওয়ামা হামলার পরিকল্পনাও করা হয়েছিল ভাওয়ালপুরের মারকাজ সুবহান আল্লাহ থেকেই।

আরও পড়ুন: Brazil Football Federation in Bangladesh: যুবভারতী নিয়ে সন্তুষ্ট নয়, বাংলাদেশের মাঠ পরিদর্শনে ব্রাজিল! ম্যাচ পাবে ঢাকা?

সেই জইশের সদর দফতরেই ভারত হামলা চালিয়েছিল ২০২৫ সালের ৬-৭ মে'র মধ্যবর্তী রাতে। ভারত সীমান্ত পেরোয়নি। নিজেদের আকাশসীমা থেকেই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল জইশের সদর দফতরকে। তারপর পাকিস্তান মুখ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More