সদ্য পাকিস্তানের কোহাতে এক গাড়ি বোঝাই বিস্ফোরকের জেরে বড়সড় বিস্ফোরণ হয় কোহাত পুলিশ স্টেশনের এলাকায়। ধর্মীয় স্থলের কাছে এই বিস্ফোরণে চাঞ্চল্য ছড়ায় খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকার কোহাত পুলিশ স্টেশন চত্বরে। এই খাইবার পাখতুনখোয়া মূলত, আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছে। এরপরই পাকিস্তান এদিন আফগানিস্তানে ব্যাপক এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। ইসলামাবাদের যুক্তি, উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। ইসলামাবাদের সেই যুক্তি খণ্ডন করে দিয়েছে পাকিস্তানি তালিবান বা টিটিপি।

মুফতি গাফরান, টিটিপির সিনিয়র সদস্য। এক সদ্য সাক্ষাৎকারে তিনি পশতো ভাষায় পাকিস্তান নিয়ে মুখ খুলেছেন। এনডিটিভির এক রিপোর্ট বলছে, মুফতি গাফরান বলেন, টিটিপি যোদ্ধারা হামলা চালানোর জন্য আফগানিস্তান থেকে সীমান্ত পার হচ্ছিল, এর ‘সুনির্দিষ্ট প্রমাণ’ দিতে পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর যুক্তি, গোষ্ঠীটি পাকিস্তানের অন্তত ৩৯টি জেলা জুড়ে তাদের সাংগঠনিক কাঠামো বজায় রেখেছে, যার মধ্যে কেবল সীমিত সংখ্যক কাঠামো আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত। গাফরান যুক্তি দেন যে, টিটিপি যেসব এলাকায় তাদের কার্যক্রম চালানোর দাবি করে, তার মধ্যে পাঞ্জাব, সিন্ধু, বালোচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার কিছু অংশসহ অনেক এলাকাই সীমান্ত থেকে শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। হাঙ্গুতে সাম্প্রতিক লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন যে, টিটিপির অভিযানে পাকিস্তানি সৈন্যরা হতাহত হয়েছে এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এলাকাটি আফগানিস্তানের সংলগ্ন নয়। তাঁর প্রশ্ন, পাকিস্তানের আফগান সীমান্তে ল্যান্ডমাইন, আলো, কড়া নজরদারির মধ্যে কীভাবে অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে, তা নিয়ে।
এদিকে, পাকিস্তানে এমন বিস্ফোরণের পর পরই বহু সময়ই তারা ভারত-যোগের অভিযোগ তুলে আঙুল তুলেছে। সেই অভিযোগও খণ্ডন করেছে পাকিস্তানি তালিবান।গাফরান ওই অভিযোগটিও অস্বীকার করেছেন যেখানে দাবি করা হয়, ভারত টিটিপিকে সমর্থন করে। তিনি এই ধরনের অভিযোগকে ,পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের বয়ানের অংশ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, দলটির অভিযান স্বাধীনভাবে অর্থায়ন ও সংগঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানি সামরিক অভিযান আরও তীব্র হলে টিটিপি তাদের কার্যকলাপ আরও প্রসারিত করতে পারে।
{{/usCountry}}এদিকে, পাকিস্তানে এমন বিস্ফোরণের পর পরই বহু সময়ই তারা ভারত-যোগের অভিযোগ তুলে আঙুল তুলেছে। সেই অভিযোগও খণ্ডন করেছে পাকিস্তানি তালিবান।গাফরান ওই অভিযোগটিও অস্বীকার করেছেন যেখানে দাবি করা হয়, ভারত টিটিপিকে সমর্থন করে। তিনি এই ধরনের অভিযোগকে ,পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের বয়ানের অংশ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, দলটির অভিযান স্বাধীনভাবে অর্থায়ন ও সংগঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানি সামরিক অভিযান আরও তীব্র হলে টিটিপি তাদের কার্যকলাপ আরও প্রসারিত করতে পারে।
{{/usCountry}}এদিকে, পাকিস্তানের কোহাত ও হাঙ্গু এলাকায় হামলার পর পাকিস্তান পাল্টা আফগানিস্তানে হামলা চালায়। সেখানে তারা হামলা চালিয়ে ২৮ জঙ্গিকে নিকেশ করেছে বলে জানায়। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রক বলেছে, বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ফিতনা আল খাওয়ারিজ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসী শিবির ও গোপন আস্তানাগুলোতে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ও সুনির্দিষ্টভাবে হামলা চালানো হয়েছে।