শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ১৯৭১ সালের ইতিহাস ভুলে মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশ-সরকার ঝুঁকেছিল পাকিস্তানের দিকে! পরবর্তীকালে পদ্মা দিয়ে বয়ে যায় বহু জলরাশি! বাংলাদেশে হয় নির্বাচন, আর তার হাত ধরেই ঢাকার তখতে বসেন বিএনপির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই তারেক রহমানের জমানাতেই এবার ঢাকা-ইসলামাবাদ বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও একধাপ এগোতে চলেছে। দুই দেশের মধ্যে নয়া বাণিজ্যিক সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হতে চলেছে। এমনই দাবি করছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’।

জানা যাচ্ছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল এবং পাটের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও কৃষিপণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজ করতে সরকারি পর্যায়ে একটি বড় ধরনের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে চলেছে।
রিপোর্ট বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রকের অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সংবদামাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাতে পাকিস্তানের টিসিপি চেয়ারম্যান আসিম আজিম সিদ্দিকি এই বাণিজ্যিক পদক্ষেপ ঘিরে বিষয়বস্তু জানান। আসিম আজিম সিদ্দিকি, পাকিস্তানের ট্রেডিং কর্পোরেশন অব পাকিস্তান (টিসিপি)-এর চেয়ারম্যান। জানা যাচ্ছে, সিদ্দিকির নেতৃত্বে একটি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরকালে এক বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী আব্দুল মুক্তাদির এবং ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রিপোর্ট বলছে, বাংলাদেশে চাল, মসুর ডাল, ছোলা, সার, ভোজ্যতেল এবং অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে অত্যন্ত আগ্রহী পাকিস্তান। অন্যদিকে, পাকিস্তানের শিল্প খাতে বাংলাদেশের উন্নত মানের পাট এবং পাটজাত পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। ফলত, বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানি করতে ইচ্ছুক পাকিস্তান, বলে রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে। রিপোর্ট বলছে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আইনি কাঠামো মেনে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বাংলাদেশে পণ্য সরবরাহে সহায়তা করার প্রস্তাবও দিয়েছে পাকিস্তান।
জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ওই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিনিয়োগ ও ব্যবসার নতুন সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আব্দুল মুক্তাদির টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের টিসিপ চেয়ারম্যান সিদ্দিক বলছেন, তাঁদের বাংলাদেশের এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদার করা, খাদ্য সরবরাহে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিল্প খাতের অংশীদারিত্বকে সম্প্রসারিত করা।
{{/usCountry}}জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ওই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বিনিয়োগ ও ব্যবসার নতুন সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আব্দুল মুক্তাদির টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্কের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের টিসিপ চেয়ারম্যান সিদ্দিক বলছেন, তাঁদের বাংলাদেশের এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদার করা, খাদ্য সরবরাহে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং শিল্প খাতের অংশীদারিত্বকে সম্প্রসারিত করা।
{{/usCountry}}