সৌদি আরবের সঙ্গে বহুদিন আগেই এক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে পাকিস্তান। এবার সেই চুক্তিই কি পাকিস্তানের গলার কাঁটা হতে পারে? তার উত্তর দেবে সময়ই। কারণ, ওই প্রতিরক্ষা চুক্তির জেরে পাকিস্তান থেকে ৮ হাজার সেনা ট্রুপ, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, যুদ্ধ বিমানের স্কোয়াড্রন সৌদিতে পাঠাতে হচ্ছে পাকিস্তানকে।

পাকিস্তানের প্রতিবেশী দেশ ইরান। সেই ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ চলছে আমেরিকার। এদিকে ইরান তার আশপাশে থাকা আরব বিশ্বের নানান দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে সজোরে হামলা চালিয়েছে। ফলত, সৌদির সঙ্গে খুব একটা সখ্যতায় নেই ইরান। ওদিকে, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে মধ্যস্থতায় লিপ্ত পাকিস্তান। এমন এক কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে যে সৌদিতে কিছু দিন আগেও ইরান হামলা চালিয়েছে, সেই সৌদি আরবে সেনা পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে পাকিস্তান। এমনই রিপোর্ট উঠে এসেছে রয়টার্সের প্রতিবেদনে।
তিনজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং দুটি সরকারি সূত্র এই মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাঁরা সকলেই এটিকে একটি উল্লেখযোগ্য ও যুদ্ধ-সক্ষম বাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যার উদ্দেশ্য হল সৌদি আরব আরও আক্রমণের শিকার হলে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করা। যদিও সৌদি আরব বা পাকিস্তানের সরকারি তরফে এই বিষয়ে মুখ খোলা হয়নি।
গত বছর স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্তাবলী গোপনীয়। উভয় পক্ষই বলেছে যে, এই চুক্তি অনুযায়ী কোনও আক্রমণের ঘটনা ঘটলে পাকিস্তান ও সৌদি আরবকে একে অপরের প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরব পাকিস্তানের পারমাণবিক ছাতার নিচে থাকবে। সূত্রমতে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি বিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে, যার বেশিরভাগই চিনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান, যেগুলো এপ্রিলের শুরুতে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। দুজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তান দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রনও পাঠিয়েছে।
এদিকে, আইএমএফ থেকে ঋণের টাকার পরিমাণ যখন ইসলামাবাদের কাঁধে নাভিশ্বাস ফেলছে,তখন পাকিস্তান, চিন থেকে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন কেনার চেষ্টায় রয়েছে। যার বদলে, গদরের নৌসেনা বেস-এ চিনের অবাধ প্রবেশকে কার্যকর করার পথে ঝুঁকছে পাকিস্তান।
{{/usCountry}}এদিকে, আইএমএফ থেকে ঋণের টাকার পরিমাণ যখন ইসলামাবাদের কাঁধে নাভিশ্বাস ফেলছে,তখন পাকিস্তান, চিন থেকে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন কেনার চেষ্টায় রয়েছে। যার বদলে, গদরের নৌসেনা বেস-এ চিনের অবাধ প্রবেশকে কার্যকর করার পথে ঝুঁকছে পাকিস্তান।
{{/usCountry}}