পাকিস্তানের ‘খানকাস্ট’ শীর্ষক এক শো-তে সদ্য বিস্ফোরক দাবি করেছেন পাকিস্তানি সিনিয়র নেতা মুশাহিদ হুসেন সইদ। তাঁর দাবি, এক লাখ আফগান মুজাহিদিন ও ২০ হাজার আরব ভলেন্টিয়ারকে এককালে প্রশিক্ষণ (ট্রেনিং) দিয়েছে পাকিস্তান। এই ভলেন্টিয়ার ও মুজাহিদিনদের মধ্যে ছিল কুখ্যাত জঙ্গি ওসামা বিন লাদেন, আয়মন জওয়াহিরিরা।

আফগান জেহাদে পাকিস্তানের ভূমিকার এক চাঞ্চল্যকর বিবরণে পাকিস্তানের সিনিয়র নেতা হুসেন আরও দাবি করেন যে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রশিক্ষিত যোদ্ধারা ‘কর্মহীন জিহাদি‘ হয়ে কাশ্মীর, ফিলিস্তিন ও আলজেরিয়াসহ অন্যান্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে চলে যায়।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের দাদা নওয়াজ শরিফ যখন পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময় এই পাকিস্তানি নেতা মুশাহিদ হুসেন সইদ ছিলেন মন্ত্রী। ‘খানকাস্ট’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন,পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-র সঙ্গে এই প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার যোগ ছিল বলে দাবি করেন। এছাড়াও বিস্ফোরক দাবিতে তিনি বলেন, এই সমস্ত কিছুর ফান্ড এসেছিল তখন মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস সিআইএ ও সৌদি আরবের থেকে। এই অনুষ্ঠানে হুসেরে দাবি অনুযায়ী, এই কর্মসূচির সূত্রপাতকে ঠান্ডা যুদ্ধ এবং আফগানিস্তানে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের সাথে যুক্ত করে হুসাইন বলেন, আফগান জেহাদ অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যের বৃহত্তর সংঘাতের একটি অংশ হয়ে ওঠে। হুসেনের মতে, এরপর সিআইএ, এক লাখ আফগান মুজাহিদিন ও ২০ হাজার আরব ভলেন্টিয়ারকে প্রশিক্ষণের জন্য পাকিস্তানের আইএসআইকে ২.১ বিলিয়ন ডলার প্রদান করে। হুসেন আরও দাবি করেছেন যে, সৌদি আরব এই কর্মসূচির জন্য সমপরিমাণ তহবিল হিসেবে অতিরিক্ত ২.১ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিল। হুসেনের দাবি আরও অর্থ এসেছিল সেই সময়। আর এই প্রশিক্ষিতদের মধ্যেই ছিল লাদেন ও জওয়াহিরি। যে লাদেন পরে আল কায়দা প্রধান হয় ও ৯/১১র মতো ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা ঘটায় আমেরিকার বুকে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন ঘিরে শুরু হয়েছিল আফগান জেহাদ। শোনা যায়, সেই সময় এই সংঘাত ঘিরে বহু সময় চর্চায় উঠে এসেছিল আমেরিকা, সৌদির নাম। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নামও চর্চায় আসে। পাকিস্তানের সিনিয়র নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী হুসেনের নয়া বক্তব্য সেই সময়কালের নানান দিক নিয়ে চর্চাকে ফের উস্কে দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন ঘিরে শুরু হয়েছিল আফগান জেহাদ। শোনা যায়, সেই সময় এই সংঘাত ঘিরে বহু সময় চর্চায় উঠে এসেছিল আমেরিকা, সৌদির নাম। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নামও চর্চায় আসে। পাকিস্তানের সিনিয়র নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী হুসেনের নয়া বক্তব্য সেই সময়কালের নানান দিক নিয়ে চর্চাকে ফের উস্কে দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
{{/usCountry}}