একটা সময়, ইজরায়েল বনাম হামাস যুদ্ধে গাজায় শান্তিসেনা পাঠানোর জন্য প্রবল উৎসাহী ছিল পাকিস্তান। রিপোর্টে উঠে আসে, সেই সময় নাকি, ২০ হাজার সৈন্যকে গাজায় পাঠানোর প্রস্তুতিতে ছিল আসিম মুনিরদের দেশ। তবে বাস্তবের মাটিতে তা হয়নি। এবার পাকিস্তান, তার বন্ধু দেশ তুরস্ক সহ সৌদি আরব, মিশরকে একযোগে সঙ্গে নিয়ে সেই ইজরায়েলের বিরুদ্ধেই সরব হয়ে গিয়েছে।

সদ্য শুক্রবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আর-ফোর বৈঠক শেষে পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ্যে আনে। সেখানে তারা দাবি করে, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার কারণ ইজরায়েল। ভারতের বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে বহুকাল ধরেই পরিচিত রয়েছে ইজরায়েল। সেই ইজরায়েল, হামাস বিরোধী সংঘাতের হাত ধরে গাজা যুদ্ধে অংশ নেয়। সেই ঘটনা ঘিরে এল পাকিস্তান সহ তিন মুসলিম প্রধান দেশের বড় বার্তা। সৌদি আরবের এসপিএ (SPA) সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই চার দেশের মন্ত্রীরা বলেছেন যে ইজরায়েলি নীতিগুলো ‘অন্যায়ের বিষয়ে বৈশ্বিক ধারণাকে আরও গভীর করেছে।’ তাঁরা ১৯৬৭ সালের পূর্বের সীমানার ভিত্তিতে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র গঠনের প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে মিশর, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন যে, ‘ইজরায়েলি দখলদারিত্বই এই অঞ্চল এবং এর বাইরে অস্থিতিশীলতার প্রধান উৎস।’ তাঁরা দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের জরুরি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে, ওই অনুষ্ঠান থেকে, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ‘অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধির’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চার দেশের বিদেশমন্ত্রীরা। এ বিষয়ে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে তারা হুতিদের সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসার আহ্বান জানান। প্রসঙ্গত, এই ইরান সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে লড়ছে ইজরায়েলও। তবে হুথি ইস্যুতে সৌদির পাশে যেমন দাঁড়িয়েছে মক্কা প্যাক্টে থাকা পাকিস্তান, তুরস্ক, তেমনই এই প্যাক্টের বাইরে থাকা মিশরও হুথিদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। ফলত কূটনৈতিক দিক থেকে মিশরের বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়াও, পাকিস্তানের প্রতিবেশী ইরানের বিরুদ্ধে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইলের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধের প্রসঙ্গেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন চার দেশের ওই মন্ত্রীরা। এই সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
{{/usCountry}}এদিকে, ওই অনুষ্ঠান থেকে, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ‘অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধির’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন চার দেশের বিদেশমন্ত্রীরা। এ বিষয়ে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে তারা হুতিদের সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসার আহ্বান জানান। প্রসঙ্গত, এই ইরান সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে লড়ছে ইজরায়েলও। তবে হুথি ইস্যুতে সৌদির পাশে যেমন দাঁড়িয়েছে মক্কা প্যাক্টে থাকা পাকিস্তান, তুরস্ক, তেমনই এই প্যাক্টের বাইরে থাকা মিশরও হুথিদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। ফলত কূটনৈতিক দিক থেকে মিশরের বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়াও, পাকিস্তানের প্রতিবেশী ইরানের বিরুদ্ধে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইলের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধের প্রসঙ্গেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন চার দেশের ওই মন্ত্রীরা। এই সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে সংলাপ ও কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
{{/usCountry}}