...
...
Next Story

Pakistani Faulty Shell: চট্টগ্রাম থেকে ইউক্রেন - পাক গোলাবারুদ নিয়ে ফের প্রশ্ন, মুখ পুড়ছে পাকিস্তানের

ইউক্রেনের ৭তম আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডার ভিতালি কর্নিয়েঙ্কো সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁদের হাতে বিভিন্ন দেশের তৈরি ১৫৫ মিলিমিটার গোলা আসে। পশ্চিম ইউরোপের তৈরি গোলাগুলি নিয়ে তিনি তুলনামূলক ভাবে সন্তুষ্ট হলেও, একটি 'এশীয় দেশের' গোলাবারুদ নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

Published on: Sep 23, 2026, 08:37:47 IST
Advertisement

একদিকে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র। অন্য দিকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম। ভৌগোলিক দূরত্ব কয়েক হাজার কিলোমিটার। কিন্তু দুই জায়গার ঘটনাকে ঘিরে একই প্রশ্ন সামনে—পাকিস্তানে তৈরি গোলাবারুদ কি খুবই নিম্নমানের? ইউক্রেনের এক আর্টিলারি কমান্ডারের বক্তব্য এবং চট্টগ্রামে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মহড়ার সময় ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণের ঘটনা, দু’টিই নতুন করে সেই বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

পাকিস্তানে তৈরি গোলাবারুদ কি খুবই নিম্নমানের?
পাকিস্তানে তৈরি গোলাবারুদ কি খুবই নিম্নমানের?

ইউক্রেনের ৭তম আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডার ভিতালি কর্নিয়েঙ্কো সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁদের হাতে বিভিন্ন দেশের তৈরি ১৫৫ মিলিমিটার গোলা আসে। পশ্চিম ইউরোপের তৈরি গোলাগুলি নিয়ে তিনি তুলনামূলক ভাবে সন্তুষ্ট হলেও, একটি 'এশীয় দেশের' গোলাবারুদ নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কিছু গোলার মানের মধ্যে এতটাই পার্থক্য থাকে যে প্রতিটি ব্যাচ ওজন করে আলাদা ব্যালিস্টিক তথ্য ব্যবহার করতে হয়। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে গোলা ব্যবহারের পর কামানের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত এবং ব্যারেল ফেটে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি জানান।

তবে এখানেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা। ওই ইউক্রেনীয় কমান্ডার তাঁর সাক্ষাৎকারে কোনও নির্দিষ্ট দেশের নাম বলেননি। পরে সামাজিক মাধ্যমে ওই অজ্ঞাত ‘এশীয়’ নির্মাতাকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। পাকিস্তান ১৫৫ মিলিমিটার এম-১০৭ ধরনের আর্টিলারি গোলা তৈরি করে এবং ইউক্রেনে পাকিস্তানি গোলাবারুদ যাওয়ার বিষয়ে অতীতে নানা রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে।

এর পরেই সামনে আসে আরও চাঞ্চল্যকর দাবি। কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিস্ফোরিত ট্যাঙ্কটি ছিল চিনা নির্মিত টাইপ-৫৯জি ‘দুর্জয়’ এবং এতে ব্যবহৃত ১২৫ মিলিমিটার এইচই-এফএস-টিকে গোলা পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি। কিছু সামরিক সূত্র ও প্রতিরক্ষা-বিষয়ক প্রতিবেদনে গোলার গুণমান নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টিও এখনও তদন্তাধীন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারি ভাবে বলেনি যে পাকিস্তানি গোলাবারুদের ত্রুটিই বিস্ফোরণের কারণ। বরং আইএসপিআরের প্রাথমিক বক্তব্য ছিল, ঘটনার কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে। তবু দু’টি ঘটনা একসঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন নিয়ে প্রশ্নকে ফের সামনে এনেছে। ইউক্রেনে 'অজ্ঞাত এশীয় দেশের' গোলার মান নিয়ে অভিযোগ, চট্টগ্রামে পাকিস্তানি ১২৫ মিলিমিটার গোলা ঘিরে সন্দেহ—সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ইউক্রেন, পাকিস্তানের মুখ পুড়ছে তাদের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির জন্য?

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks