পঞ্জাবের পাঠানকোটে সেনাবাহিনীর গতিবিধির উপর নজরদারি চালানোর অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত বলজিৎ সিং। অভিযোগ, ধৃত বলজিৎ জাতীয় সড়ক ৪৪-এর পাশে একটি দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে ভারতীয় সেনা ও আধাসামরিক বাহিনীর চলাচলের ফুটেজ পাকিস্তানে পাঠাত।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জানুয়ারি মাসে সুজানপুর এলাকার একটি দোকানে ইন্টারনেট-ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসায়। সেই দোকানটি জাতীয় সড়কের ওপরে অবস্থিত। সেই লাইভ ফিড পাকিস্তান ও বিদেশে থাকা অপারেটিভদের কাছে পাঠানো হত বলে অভিযোগ। তদন্তে আরও জানা যায়, দুবাইয়ে থাকা এক অজ্ঞাত ব্যক্তির কাছ থেকে নির্দেশ পাচ্ছিল এই বলজিৎ। এই কাজের জন্য ৪০ হাজার টাকা পেয়েছিল সে।
পুলিশ অভিযুক্তের কাছ থেকে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ইন্টারনেট ওয়াই-ফাই রাউটার উদ্ধার করেছে। গোয়েন্দা সূত্রে সন্দেহজনক গতিবিধির খবর পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছিল। এই ঘটনায় আরও তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে — বিক্রমজিৎ সিং, বলবিন্দর সিং, এবং তরণপ্রীত সিং। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সাম্প্রতিক সময়ে পঞ্জাবে একাধিক গুপ্তচরচক্রের পর্দা ফাঁস দাবি করেছে পুলিশ। গত মাসেও পাকিস্তানের আইএসআই মদতপুষ্ট দুইটি গুপ্তচর মডিউল ভেঙে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। সেগুলিতেও সেনা ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানের উপর নজরদারির জন্য উচ্চপ্রযুক্তির সিসিটিভি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল।
এদিকে সম্প্রতি কলকাতার এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজ ওরফে রিজভিকে পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এদিকে জানা গিয়েছে, জাফর নাকি সম্প্রতি একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছে, বাংলাদেশের সাথে তার কী যোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, একসময় এন্টালিতে জুতোর ব্যবসা করত জাফর। পারিবারিক ব্যবসার পাশাপাশি তাঁর দু’টি ছোট কারখানাও ছিল। কিন্তু ২০১২ সালে একটি দুর্ঘটনার পর শারীরিক ও আর্থিক সমস্যায় পড়ে তাঁর জীবন বদলে যায়। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে পঞ্জাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাকে এবং বিহারের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। অভিযোগ, সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত তথ্য পাচারের কাজ চলছিল পঞ্জাবকে কেন্দ্র করে। পরে জামিন পেলেও নতুন করে তদন্তে তার নাম সামনে আসে।
{{/usCountry}}এদিকে সম্প্রতি কলকাতার এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজ ওরফে রিজভিকে পাক গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এদিকে জানা গিয়েছে, জাফর নাকি সম্প্রতি একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছে, বাংলাদেশের সাথে তার কী যোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, একসময় এন্টালিতে জুতোর ব্যবসা করত জাফর। পারিবারিক ব্যবসার পাশাপাশি তাঁর দু’টি ছোট কারখানাও ছিল। কিন্তু ২০১২ সালে একটি দুর্ঘটনার পর শারীরিক ও আর্থিক সমস্যায় পড়ে তাঁর জীবন বদলে যায়। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে পঞ্জাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাকে এবং বিহারের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। অভিযোগ, সামরিক ঘাঁটি সংক্রান্ত তথ্য পাচারের কাজ চলছিল পঞ্জাবকে কেন্দ্র করে। পরে জামিন পেলেও নতুন করে তদন্তে তার নাম সামনে আসে।
{{/usCountry}}