২০১৭ সালের ডোকলাম ভূখণ্ডকে কেন্দ্র করে, ২০২০ সালের পূর্ব লাদাখের গালোয়ানে, দুই ক্ষেত্রেই ভারতের বিরুদ্ধে লালফৌজ সংঘাতের রাস্তা নেয়। সংঘাতের ময়দানে তারা ভারতের তরফ থেকে পেয়েছিল মোক্ষম জবাব। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে কয়েক বছর। জানা যায়, ডোকলাম ও গালোয়ান এই দুই এলাকায় সংঘাতের সময়ই চিনের সেনার ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের নেতৃত্বে ছিলেন পিএলএ (পিপলস লিবারেশন আর্মি)র জেনারেল ঝাও জোংগকি।সদ্য তাঁকে চিনের শীর্ষ রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংক্রান্ত এক গোষ্ঠী থেকে সরিয়ে দিয়েছে চিনের জিনপিং সরকার।

‘চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসালটিভ কনফারেন্স’ এই শীর্ষক চিনের তাবড় রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংক্রান্ত এক গোষ্ঠী থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে চিনের সেনার জেনারেল ঝাও জোংগকিকে। দেশের সেনার যে জেনারেল, সেদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁকে হঠাৎ এতবড় রাজনৈতিক উপদেষ্টা গোষ্ঠী থেকে কেন সরানো হল? প্রশ্ন উঠছে। চিনের জিংহুয়া নিউজ এজেন্সি, জোংগকির পদচ্যুতির বিষয়ে প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে। জোংগকির বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত হচ্ছে কি না, বা তাঁকে হঠাৎ কোন কারণে ওই পদ থেকে সরানো হল, তা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে বেজিং!
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অধীনে চিনের সামরিক নেতৃত্বের ব্যাপক রদবদলের মধ্যেই এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে; ফলে প্রশ্ন উঠেছে যে, ঝাও জংগকিকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি পিএলএ-র সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চলমান বৃহত্তর দমন-অভিযানের সাথে সম্পর্কিত কি না, তা নিয়ে। তাঁর অপসারণ এই জল্পনাকে উসকে দিয়েছে যে, পিএলএ -র অভ্যন্তরে দুর্নীতি ও আনুগত্যহীনতার বিরুদ্ধে শি-র দীর্ঘদিনের অভিযানের মুখে পড়া সর্বশেষ সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা হয়তো ঝাও জংকি। সেক্ষেত্রেও প্রশ্ন উঠছে, জেনারেল জোংগকি কী ঘটিয়েছেন, তা নিয়ে।
২০২০ সালে'ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট'-এ প্রকাশিত এবং পরবর্তীতে এএনআই এর উদ্ধৃত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার এক মূল্যায়নে অভিযোগ করা হয়েছে যে, গালোয়ানে যে অভিযানের ফলে সংঘর্ষটি ঘটেছিল, জেনারেল জোংগকি তার অনুমোদন দিয়েছিলেন।। ২০১৭ সালে ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট বলছে, এই জেনারেল জোংগকিই ছিলেন ডোকলামে ভারতের বিরুদ্ধে চিনের লালফৌজের আস্ফালনের নির্দেশদাতা। প্রসঙ্গত, লাদাখের গালোয়ান যুদ্ধে ভারতের ২০ সেনা জওয়ান শহিদ হন, চিনের ৩৮ জওয়ানের মৃত্যু হয়। যদিও সরকারিভাবে চিন দাবি করেছিল, সই সংঘাতে তারা ৪ জন জওয়ানকে হারিয়েছে। ২০১৭ সালে হয় ডোকলাম সংঘাত। ওই ভূখণ্ড ভুটান নিজের বলে দাবি করে। চিনতে মানতে রাজি হয়না। এদিকে, এই ভূখণ্ডটি ভারতের স্ট্র্যাটেজিক এলাকার কান ঘেষে অবস্থান করছে। ময়দানে নামে ভারতীয় সেনা। চিনের সেনার সঙ্গে চলে ৭২ দিনের ‘স্ট্যান্ডঅফ’। এই দুই সংঘাতে চিনের সেনাকে নেতৃত্ব দেওয়া অফিসারকে নিয়ে জিনপিং সরকারের পদক্ষেপ এক তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}২০২০ সালে'ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট'-এ প্রকাশিত এবং পরবর্তীতে এএনআই এর উদ্ধৃত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার এক মূল্যায়নে অভিযোগ করা হয়েছে যে, গালোয়ানে যে অভিযানের ফলে সংঘর্ষটি ঘটেছিল, জেনারেল জোংগকি তার অনুমোদন দিয়েছিলেন।। ২০১৭ সালে ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট বলছে, এই জেনারেল জোংগকিই ছিলেন ডোকলামে ভারতের বিরুদ্ধে চিনের লালফৌজের আস্ফালনের নির্দেশদাতা। প্রসঙ্গত, লাদাখের গালোয়ান যুদ্ধে ভারতের ২০ সেনা জওয়ান শহিদ হন, চিনের ৩৮ জওয়ানের মৃত্যু হয়। যদিও সরকারিভাবে চিন দাবি করেছিল, সই সংঘাতে তারা ৪ জন জওয়ানকে হারিয়েছে। ২০১৭ সালে হয় ডোকলাম সংঘাত। ওই ভূখণ্ড ভুটান নিজের বলে দাবি করে। চিনতে মানতে রাজি হয়না। এদিকে, এই ভূখণ্ডটি ভারতের স্ট্র্যাটেজিক এলাকার কান ঘেষে অবস্থান করছে। ময়দানে নামে ভারতীয় সেনা। চিনের সেনার সঙ্গে চলে ৭২ দিনের ‘স্ট্যান্ডঅফ’। এই দুই সংঘাতে চিনের সেনাকে নেতৃত্ব দেওয়া অফিসারকে নিয়ে জিনপিং সরকারের পদক্ষেপ এক তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় বলে মনে করা হচ্ছে।
{{/usCountry}}