নেপালে ভরা বর্ষায় এদিন কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে হড়পা বান। নেপালের রাসুয়া জেলায় ভোতে কোশি নদীতে হড়পা বানের জেরে ৩০০র বেশি পর্যটক নিখোঁজ। জানা গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০০ জন ভারতীয় পর্যটক রয়েছেন, যাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই ভারতের বিদেশমন্ত্রক জারি করেছে টোল ফ্রি নম্বর। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা টোল ফ্রি ইমার্জেন্সি নম্বরগুলি হল- +977 985 131 6807, এবং +977 970 910 7500। এদিকে, ঘটনা ঘিরে ভারতের তরফে নেপালের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে, এক নেপালি সাংবাদিক এই বিপর্যয়ের জন্য চিনের দিকে আঙুল তুলেছেন।

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের বিপর্যয়ের ঘটনার পর ভারতীয় বায়ুসেনা উদ্ধার কাজের জন্য 'স্ট্যান্ড বাই ‘ (প্রস্তুত) রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, ঘটনা ঘিরে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহকে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এক ফোন কল-এ বলেন্দ্রর সঙ্গে কথা বলেছেন বলে খবর। ফোনের বিষয়ে এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মোদী জানান, ’প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে কথা বলেছি এবং নেপালের বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছি। এই কঠিন সময়ে ভারতের জনগণ নেপালের ভাই-বোনদের পাশে রয়েছে। ভারত নেপালকে সম্ভাব্য সব ধরনের মানবিক সহায়তা করতে প্রস্তুত। আমাদের দলগুলো উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করছে।'
এদিকে, সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খবরে জানা গিয়েছে, নেপালের হড়পা বানে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৫ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয়দের সহায়তায় কাঠমান্ডুতে ভারতের দূতাবাস তৎপর রয়েছে বলে খবর।
এদিকে, নেপালে এই বিপর্যয়ের জন্য নেপালের সাংবাদিক পরশুরাম কাপহালে নাম না করে চিনকে দুষেছেন। তাঁর দাবি, হড়পা বানের আগাম অ্যালার্ট চিনের তরফে আসেনি, যে হড়পা বান নেপালে একের পর এক গ্রামকে গ্রাস করেছে। নেপাল-চিন সীমান্ত ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বলেও জানা গিয়েছে। হড়পা বান নিয়ে চিনকে টার্গেট করে নেপালের ওই সাংবাদিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লেখেন, 'নেপাল আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌক্তিক উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে কাজ করে আসছে। তবে দুঃখের সাথে বলতেই হচ্ছে যে, আমাদের উত্তরের প্রতিবেশী দেশটি আমাদের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এত বড় একটি দুর্যোগের বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা না দেওয়ার ফলে আমাদের প্রচুর প্রাণহানি ঘটেছে।'
{{/usCountry}}এদিকে, নেপালে এই বিপর্যয়ের জন্য নেপালের সাংবাদিক পরশুরাম কাপহালে নাম না করে চিনকে দুষেছেন। তাঁর দাবি, হড়পা বানের আগাম অ্যালার্ট চিনের তরফে আসেনি, যে হড়পা বান নেপালে একের পর এক গ্রামকে গ্রাস করেছে। নেপাল-চিন সীমান্ত ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বলেও জানা গিয়েছে। হড়পা বান নিয়ে চিনকে টার্গেট করে নেপালের ওই সাংবাদিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লেখেন, 'নেপাল আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌক্তিক উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে কাজ করে আসছে। তবে দুঃখের সাথে বলতেই হচ্ছে যে, আমাদের উত্তরের প্রতিবেশী দেশটি আমাদের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এত বড় একটি দুর্যোগের বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা না দেওয়ার ফলে আমাদের প্রচুর প্রাণহানি ঘটেছে।'
{{/usCountry}}