PM Modi: নকশালবাদ শেষ হয়েছে। তবে ‘দিমাগি নকশাল’দের বিপদ এখনও কাটেনি। দেশকে তাঁদের থেকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। শনিবার গুজরাটের একতা নগরের প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতীয় একতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে ভারত বিরোধী শক্তিগুলিকেও কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার দেশজুড়ে পালিত হয়েছে ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস।’ গুজরাটের একতা নগরে এক বিশাল কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই তিনি বলেন, সর্দার প্যাটেল ভারতের ইতিহাসের এমন এক রত্নতুল্য ব্যক্তিত্ব, যাঁকে ছাড়া আজকের ভারতকে কল্পনা করা কঠিন। সর্দার প্যাটেলই ভারতকে তার বর্তমান রূপ দিয়েছে। দেশভাগের পরেও, হিমালয় থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত দেশকে সুরক্ষিত রেখেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, 'সর্দার প্যাটেল কেবল ভৌগোলিক ভাবেই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেননি, বরং সমগ্র জাতিকে ঐক্যের সুতোয় গেঁথেছিলেন।' তিনি আরও বলেন, 'গত বছর সর্দার প্যাটেলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমি বলেছিলাম, যতদিন না দেশ নকশালবাদ ও মাওবাদ থেকে মুক্ত হচ্ছে, ততদিন আমরা শান্তিতে বসে থাকব না। মাত্র এক বছর পরেই আমরা সেই সংকল্প পূরণ করেছি। আজ দেশে নকশালবাদের অবসান ঘটেছে।'
সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এই প্রবণতার মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, 'দিমাগি নকশালরা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। গুজব ছড়াতে এবং ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সমাজমাধ্যমকে একটি অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।' প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'দেশের নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এর মোকাবিলা করতে হবে। সংবিধান আমাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করে রেখেছে। কিন্তু এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে, বিরোধী দল তাদের দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে এমন একটি শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা দেশকে বিভক্ত করতে চায়।' প্রধানমন্ত্রীর কথায়, 'এটি কোনও সুস্থ বিরোধিতার ভূমিকা নয়, বরং নিছকই বাধা সৃষ্টির প্রবণতা। এটিকেই তারা তাদের মূল রাজনীতি বানিয়ে ফেলেছে। তারা সংবিধানকে ধূলিসাৎ করতে ব্যস্ত রয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'ভারত মায়ের সন্তানদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে এবং সংঘাত উসকে দিতে জঘন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।'
{{/usCountry}}সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এই প্রবণতার মোকাবিলা করতে হবে। তিনি বলেন, 'দিমাগি নকশালরা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। গুজব ছড়াতে এবং ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে সমাজমাধ্যমকে একটি অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।' প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'দেশের নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এর মোকাবিলা করতে হবে। সংবিধান আমাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করে রেখেছে। কিন্তু এটা আমাদের দুর্ভাগ্য যে, বিরোধী দল তাদের দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে এমন একটি শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যা দেশকে বিভক্ত করতে চায়।' প্রধানমন্ত্রীর কথায়, 'এটি কোনও সুস্থ বিরোধিতার ভূমিকা নয়, বরং নিছকই বাধা সৃষ্টির প্রবণতা। এটিকেই তারা তাদের মূল রাজনীতি বানিয়ে ফেলেছে। তারা সংবিধানকে ধূলিসাৎ করতে ব্যস্ত রয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'ভারত মায়ের সন্তানদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে এবং সংঘাত উসকে দিতে জঘন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।'
{{/usCountry}}গত কয়েক মাসে বিশ্বকে জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হতে দেখা গিয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বিশ্বের একাধিক দেশে পেট্রল ও ডিজেল কেনার উপর পর্যন্ত সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। ভারতের জনসংখ্যা বিপুল এবং দেশে পর্যাপ্ত পেট্রোলিয়াম উৎপাদন হয় না। তাই অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, এই সংকটে ভারতই সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সমস্ত আশঙ্কার মধ্যেই ভারতবিরোধী শক্তিগুলিও সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ভারতের সক্ষমতার জোরেই বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব দেশের নাগরিকদের উপর পড়তে দেওয়া হয়নি।