প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় শীঘ্রই বড়সড় রদবদল হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রিপোর্টের দাবি, আসন্ন মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হতে পারে। পাশাপাশি বেশ কয়েকজন নতুন মুখকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে পৃথক বৈঠকের পর এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে।

রাজনৈতিক সূত্রের খবর, এবারের রদবদলে প্রায় ছয়জন মন্ত্রীর দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, এনডিএ-র শরিক দলগুলির প্রতিনিধিসহ প্রায় নয়জন নতুন নেতাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। আগামী কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের নাম। সাম্প্রতিক নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক এবং শিক্ষা সংক্রান্ত একাধিক ইস্যুতে বিরোধীদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এই বিতর্কের জেরেই তাঁর মন্ত্রিত্বে পরিবর্তন আসতে পারে। একইভাবে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকেও মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দলীয় সংগঠন বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে। এছাড়া যেসব মন্ত্রী প্রত্যাশিত কর্মক্ষমতা দেখাতে পারেননি অথবা যেসব রাজ্যে নির্বাচন আসন্ন, সেসব রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখে কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীরও দায়িত্ব পরিবর্তন হতে পারে।
রাজ্যসভার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ থেকেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টুর মতো কয়েকজন নেতার ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা চলছে। অন্যদিকে সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন বলে সূত্রের দাবি। নতুন মুখ হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। সূত্রের দাবি, তাঁকে সরাসরি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনও মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। মহারাষ্ট্রে এনডিএ জোটকে আরও শক্তিশালী করতে শিবসেনা সাংসদ শ্রীকান্ত শিন্ডেকেও মন্ত্রী করা হতে পারে। এছাড়া 'রামায়ণ' ধারাবাহিকে রামের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং বর্তমানে মেরঠের বিজেপি সাংসদ অরুণ গোভিলের নামও সম্ভাব্য নতুন মুখের তালিকায় রয়েছে।
{{/usCountry}}রাজ্যসভার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ থেকেও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টুর মতো কয়েকজন নেতার ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা চলছে। অন্যদিকে সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন ইতিমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন বলে সূত্রের দাবি। নতুন মুখ হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। সূত্রের দাবি, তাঁকে সরাসরি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনও মন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। মহারাষ্ট্রে এনডিএ জোটকে আরও শক্তিশালী করতে শিবসেনা সাংসদ শ্রীকান্ত শিন্ডেকেও মন্ত্রী করা হতে পারে। এছাড়া 'রামায়ণ' ধারাবাহিকে রামের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং বর্তমানে মেরঠের বিজেপি সাংসদ অরুণ গোভিলের নামও সম্ভাব্য নতুন মুখের তালিকায় রয়েছে।
{{/usCountry}}সূত্রের আরও দাবি, বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা অনুরাগ ঠাকুরকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি যেসব প্রতিমন্ত্রী ভালো কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী অথবা পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে উন্নীত করার সম্ভাবনাও রয়েছে। মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রকের দায়িত্বেও বড় পরিবর্তনের জল্পনা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, যদি শক্তিকান্ত দাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দেন, তবে তাঁকে অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে বর্তমান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে শিক্ষা মন্ত্রকের মতো অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা রদবদলের মূল লক্ষ্য হবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ও আঞ্চলিক ভারসাম্য আরও মজবুত করা। বিশেষ করে ওড়িশা, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলিকে এবারের সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।