PM Modi on Pahalgam Attack Anniversary: গত বছর আজকের দিনে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, এই হামলায় প্রাণ হারানো নিরীহ নাগরিক ও সেনানীদের আত্মত্যাগের কথা দেশ কখনও ভুলবে না। এক সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'গত বছর আজকের দিনে পহেলগাঁওতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় যে সমস্ত নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের আজ আমি স্মরণ করছি। তাঁদের কখনও ভোলা হবে না। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার সমবেদনা রইল।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনা আজও দেশের বিবেকের ওপর বোঝা হয়ে রয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় ও অটল অবস্থানের কথা পুনরায় উল্লেখ করেন মোদী। তিনি বলেন, দুঃখ ও সংকল্পের এই সময়ে সমগ্র জাতি একসঙ্গে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কড়া ভাষায় সতর্ক করে দিয়ে বলেন, 'জাতি হিসেবে আমরা দুঃখ ও সংকল্পে ঐক্যবদ্ধ। ভারত কোনও প্রকার সন্ত্রাসবাদের কাছে মাথা নত করবে না। সন্ত্রাসীদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র কখনও সফল হবে না।'
এদিকে পহেলগাঁও হামলায় নিহতদের সম্মানে লিদ্দার নদীর তীরে কালো মার্বেল দিয়ে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে। সেই স্মৃতিসৌধে হামলায় নিহতদের নাম খোদাই করা রয়েছে। বুধবার স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য সভার আয়োজন করা হয়। পর্যটকরাও নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সেখানে। এদিকে যে বৈসারণ উপত্যকায় এই ঘটনা ঘটেছিল, আজও সেই পর্যটনস্থলটি বন্ধ। তবে পহেলগাঁওয়ের বাকি জায়গাগুলি খোলা পর্যটকদের জন্য। হামলার বার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে সর্বত্র।
উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। সেদিন নিরাপত্তাবাহিনীর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় আধ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। ততক্ষণে হত্যালালী চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি জঙ্গিরা। পরে জানা গিয়েছিল, ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ধর্ম জিজ্ঞেস করে ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয়কে খুন করে। সেদিন নিরাপত্তাবাহিনীর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় আধ ঘণ্টা সময় লেগেছিল। ততক্ষণে হত্যালালী চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি জঙ্গিরা। পরে জানা গিয়েছিল, ধর্ম জিজ্ঞেস করে করে পর্যটকদের খুন করা হয়েছিল পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে।
{{/usCountry}}এই জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ৬ মে গভীর রাতে বাহাওয়ালপুর, মুরিদকে সহ পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়। সেই অভিযানে প্রায় ১০০ জন জঙ্গিকে খতম করে ভারত। আর এরপর থেকেই পাকিস্তানের তরফ থেকে শেলিং শুরু হয় ভারতের ওপর। অপারেশন সিঁদুর পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের শেলিংয়ে ভারতের অন্তত ১৬ জন নাগরিকের মৃত্যু ঘটে। এরপর সংঘাত বাড়তে থাকে দুই দেশের। ১০ মে-র ভোররাতে এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের ১১টি সামরিক ঘাঁটি অকেজো করে দেয়।
এই সময়কালে পাকিস্তানের এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ শ্রেণির যুদ্ধবিমান সহ পাঁচটি জেট ভারত ধ্বংস করেছিল মাঝ আকাশের লড়াইয়ে। পাকিস্তানের রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, হ্যাঙ্গার এবং রানওয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের হামলায়। পাকিস্তানের একটি সি-১৩০ শ্রেণির বিমানও ধ্বংস করা হয়েছিল এই সংঘাতের সময়। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে একটি AEW&C বা একটি SIGINT বিমান ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তাছাড়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে থাকা পাকিস্তানের আরও বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতের মিসাইলের আঘাতে।