পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে ভোট পর্ব। সেখানে পাকিস্তান মুসলিম লিগ -নওয়াজ বা পিএমএলএন পার্টি সরকার গড়ার মুখে। এই পার্টির সর্বোচ্চ নেতা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের দাদা নওয়াজ শরিফ, যিনি বহুকাল আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এদিকে, পিএমএলএন-র সঙ্গে ভুট্টো পরিবারের বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি জোট সরকার গড়ে পাকিস্তানের শাসকপক্ষে রয়েছে। তবে পিওকের ভোটে পিএমএওলএন-র সরকার গড়ার বাধ সাধছে তাদেরই জোট শরিক সেই পিপিপি। বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, পিপিপি, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পিএমএলএন-র সরকার গঠন রুখতে কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে।

নিউজ ১৮র এক খবর বলছে, পিএমএলএনকে রুখতে তাদের বিরুদ্ধে এজেকে কোর্টে যেতে পারে পিপিপি। এর আগে, বহু সময় ধরেই পিপিপি দাবি করেছে যে, পিওকেতে ভোটপর্বে ব্যাপক রিগিং হয়েছে। সিএনএন-নিউজ১৮-এর সূত্র অনুযায়ী, অবশিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত পিএমএল-এনকে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া থেকে বিরত রাখতে পিপিপি আদালতের কাছে স্থগিতাদেশ চাইবে। দলটি সম্ভবত এই যুক্তি তুলে ধরবে যে, পুঞ্চ বিভাগের দুটি জেলায় এখনও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। তাদের আইনি টিমের পক্ষ থেকে সম্ভবত দাবি করা হবে যে, ওই এলাকাগুলোর নির্বাচিত প্রতিনিধিরা অনুপস্থিত থাকায় এজেকে আইনসভাকে পূর্ণাঙ্গভাবে গঠিত বলে গণ্য করা যায় না। তাই, অবশিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সরকার গঠনের প্রক্রিয়া স্থগিত করার লক্ষ্যে এই আবেদনটি করা হবে।
পিপিপি -র আইনি চ্যালেঞ্জটি মূলত এই বিষয়ের ওপরই গুরুত্ব দেবে যে, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই সাংবিধানিকভাবে কোনো সরকার গঠন করা যায় কি না। পিপিপি আরও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, পিএমএল-এন এর ক্ষমতা গ্রহণের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা তাদের রাজনৈতিক বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে। এদিকে, ইতিমধ্যেই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে শেহবাজ শরিফের সরকার বিরোধী হাওয়া উত্তাল বিক্ষোভ তুলে ধরে। সেই আবহে পাকিস্তানের শাসক জোটের মধ্যে থাকা দুই পার্টির এই রাজনৈতিক অবস্থান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।