PoK ‘PM’ slams Khawaja Asif: ‘পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর’ (পিওকে)-এর ‘প্রধানমন্ত্রী’ ফয়সাল মুমতাজ রাঠোর গত শুক্রবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। কাশ্মীরের জনগণের জাতিগত পরিচয় নিয়ে খাজা আসিফের অযাচিত মন্তব্যের জেরেই ক্ষোভ উগরে দেন ফয়সাল মুমতাজ রাঠোর।
জানা গেছে, সম্প্রতি একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে আসিফ দাবি করেছিলেন যে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাওলাকোট এবং মিরপুরের বাসিন্দারা 'প্রকৃত কাশ্মীরি নন।' যদিও খাজা আসিফের এই বিতর্কিত মন্তব্যটি ‘হিন্দুস্তান টাইমস’ সত্যতা যাচাই করেনি। এক্স হ্যান্ডেলে আসিফের ওই মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে পিওকে-এর ‘প্রধানমন্ত্রী’ স্পষ্ট বলেন, 'জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের নিজস্ব পরিচয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ বা অন্য কারও কাছ থেকে কোনও সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই।' তিনি আরও বলেন, 'তাঁর মতো বুড়োরা এবং তাঁদের কার্যকলাপ মানুষকে কাছাকাছি আনার পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টি করছে।' রাঠোর কটাক্ষের সুরে বলেন, 'নিজের ভুলের জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে তিনি এখন আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের শাসনে দোষ খুঁজে তা ঢাকার চেষ্টা করছেন।'
খাজা আসিফকে পিওকে-র ‘প্রধানমন্ত্রী’-র তোপ
নিজের বিতর্কিত মন্তব্য ঢাকতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফের পরবর্তী সাফাই ও ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টার তীব্র সমালোচনা করেছেন ‘পাক অধিকৃত কাশ্মীর’-এর ‘প্রধানমন্ত্রী’ ফয়সাল মুমতাজ রাঠোর। খাজা আসিফ দাবি করেছিলেন যে কাশ্মীরি পরিচয় জন্ম শংসাপত্র দিয়ে নয়, বরং বহু বছরের সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। একই সঙ্গে নিজের অবস্থানকে আড়াল করতে পিওকে-র প্রশাসনিক ব্যর্থতার দিকেও আঙুল তোলেন আসিফ। রাঠোর বলেন, 'স্যার, আপনার ওপরমহলকে জিজ্ঞাসা করুন, তারাই আপনাকে বলবেন আমরা কতটা ভালোভাবে শাসন করেছি। আমাদের শাসনকে বলির পাঁঠা না বানিয়ে, বরং মূল সমস্যাটির সমাধান করে আপনার আগের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়াই হতো আরও সম্মানের কাজ।'
সম্প্রতি এআরওয়াই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, 'যে মুহূর্তে আমরা বুঝতে পারব, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, আর জল আমাদের জাতীয় নিরাপত্তারই অংশ। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাব।' তবে এই বলেই থেমে থাকেননি পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ভারত যদি খুব দ্রুত জল সরবরাহ বন্ধ বা গতিপথ অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করে, তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে পাকিস্তানের সামনে যুদ্ধ ছাড়া কোনও পথ থাকবে না। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভারত-বিরোধী যুদ্ধ ও সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে দেওয়া হুমকির বিষয়ে ভারত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এই বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, 'নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে বিশ্বের থেকে দৃষ্টি সরাতে পাকিস্তান এই ধরনের বক্তব্য করে থাকে। ভারত এসব ভিত্তিহীন দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।' এছাড়াও তিনি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভ ও পাকিস্তান সরকারের ভুল নীতিগুলোর দিকেও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
{{/usCountry}}সম্প্রতি এআরওয়াই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ বলেন, 'যে মুহূর্তে আমরা বুঝতে পারব, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, আর জল আমাদের জাতীয় নিরাপত্তারই অংশ। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাব।' তবে এই বলেই থেমে থাকেননি পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ভারত যদি খুব দ্রুত জল সরবরাহ বন্ধ বা গতিপথ অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করে, তার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে পাকিস্তানের সামনে যুদ্ধ ছাড়া কোনও পথ থাকবে না। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভারত-বিরোধী যুদ্ধ ও সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে দেওয়া হুমকির বিষয়ে ভারত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এই বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, 'নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে বিশ্বের থেকে দৃষ্টি সরাতে পাকিস্তান এই ধরনের বক্তব্য করে থাকে। ভারত এসব ভিত্তিহীন দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে।' এছাড়াও তিনি পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভ ও পাকিস্তান সরকারের ভুল নীতিগুলোর দিকেও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
{{/usCountry}}নয়া দিল্লির তরফে রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, 'পাকিস্তানের অবৈধ দখলে থাকা অঞ্চলগুলিতে চলমান বিক্ষোভ হল, কয়েক দশক ধরে চলে আসা সরকারি নীতিরই ফল। এসব নীতির মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক শোষণ, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন ও প্রশাসনের দ্বারা সাধারণ নাগরিকদের ওপর দমন-পীড়ন। এর জবাবে পাকিস্তান সরকার পুলিশি বর্বরতা, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের সরবরাহ বন্ধ রাখা, ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করা ও নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার পথ বেছে নিয়েছে।'