...
...
Next Story

Ram Mandir Scam: রাম মন্দির অনুদান কেলেঙ্কারিতে নয়া মোড়! ধৃত ৮ অভিযুক্তের বাড়িতে একযোগে পুলিশের তল্লাশি

Ram Mandir Scam: লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্ত, লখনউ রেঞ্জের আইজি কিরণ এস এবং অর্থ দফতরের বিশেষ সচিব নীল রতনের নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গত ১৫ থেকে ২০ জুনের মধ্যে অযোধ্যায় গিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালায়।

Published on: Jun 28, 2026, 12:38:10 IST
Advertisement

Ram Mandir Scam: অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ নয়ছয় এবং মারাত্মক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। শুক্রবার এই বিতর্ক এক নজিরবিহীন মোড় নেয়, যখন মন্দির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত আটজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা নগদ। এই চরম কেলেঙ্কারির আবহেই রাম মন্দিরে অনুদানের টাকা তছরুপের মামলায় গ্রেফতার আট অভিযুক্তের বাড়িতে এক সঙ্গে তল্লাশি চালাল পুলিশ। এই নাটকীয় পরিস্থিতি রাজ্য তথা দেশের রাজনীতিতে এক বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

রাম মন্দির অনুদান কেলেঙ্কারিতে নয়া মোড়! (ANI Video Grab)
রাম মন্দির অনুদান কেলেঙ্কারিতে নয়া মোড়! (ANI Video Grab)

গোটা ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার, যখন রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে দায়ের করা একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ একটি এফআইআর রুজু করে। সেই মামলায় ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাইয়ের এক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী-সহ মোট আটজনের নাম জড়ায়। এর ঠিক পরদিনই, অর্থাৎ শুক্রবার ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অনিল মিশ্র নিজেদের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এই চরম বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল গত ৭ জুন, যখন সমাজবাদী পার্টির নেতা তেজ নারায়ণ ‘পবন’ পাণ্ডে প্রথম অভিযোগ তোলেন যে, মন্দিরের দানবাক্স থেকে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৭ কোটি টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর পর গত ১৩ জুন মন্দির ট্রাস্টের অনুরোধেই রাজ্য সরকার এই বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করে।

লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্ত, লখনউ রেঞ্জের আইজি কিরণ এস এবং অর্থ দফতরের বিশেষ সচিব নীল রতনের নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গত ১৫ থেকে ২০ জুনের মধ্যে অযোধ্যায় গিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালায়। তদন্তকারীরা মন্দিরের দানবাক্স, টাকা গোনার ঘর, ভল্ট, হিসাবরক্ষণের খাতা এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে প্রাথমিক রিপোর্টে নিশ্চিত হন যে, ভক্তদের দেওয়া নগদ টাকা এবং সোনা-দানা হাতানোর ক্ষেত্রে বড়সড় অনিয়ম হয়েছে। শুক্রবার এই বিতর্ক এক নজিরবিহীন মোড় নেয়, যখন মন্দির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত আটজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং তাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা নগদ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন, রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু, লভকুশ মিশ্র, অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, মণীশকুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রমাশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তব। রবিবার সকাল ৭টা নাগাদ স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের উপস্থিতিতে লভকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা এবং রামাশঙ্কর যাদব-সহ বাকিদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশের পৃথক দল।

অন্যদিকে, শনিবার ট্রাস্টের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অযোধ্যার রামমন্দিরে যে ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এল, তা নিয়ে আমরা স্তম্ভিত, গভীর ভাবে ব্যথিত। রামভক্ত এবং সেবকদের প্রতিনিধি হিসাবে আমরা বদ্ধপরিকর, যে এই ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্ত হবে। ভক্তদের আস্থা ফেরানো হবে।’ ভক্তদের দেওয়া প্রণামী সুরক্ষিত রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা। বিবৃতিতে আরও বলেছে, ‘ভক্তেরা ব্যক্তিগত ভাবে যে রুপোর ইট, গয়না, অন্য জিনিস প্রণামী হিসাবে আধিকারিকদের দিয়েছেন, সেগুলি সুরক্ষিত রয়েছে। ট্রাস্ট তা নিশ্চিত করছে।’ উত্তরপ্রদেশ সরকারের গঠিত সিট-এর (বিশেষ তদন্তকারী দল) রিপোর্টের ভিত্তিতে এফআইআর করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ট্রাস্ট।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe