যোগীগড় উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের পুলিশ ফাঁড়িতে বিস্ফোরণ ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এলাকার ইন্দিরাপুরমের বসুন্ধরা পুলিশ ফাঁড়ির কাছে বিস্ফোরণ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। ঘটনায় এক ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ আহত হয়েছেন বলে খবর।

জানা যাচ্ছে, ঘটনার সময় এক ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ একটি জিনিস ডেলিভারি করতে পুলিশ ফাঁড়িতে আসেন। ঘটনার সময় ওই ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ ও এক সাব ইনসপেক্টর উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে, একটি ভাইরাল পোস্টে দাবি করা হয়েছে, গাজিয়াবাদের পুলিশ স্টেশনের ওই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করা হয়েছে তেহরিক এ মুদাহিদ্দিনের তরফে। আর এই দাবি ঘিরেও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে উত্তর প্রদেশ অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড। পৌঁছেছে ফরেন্সিক দল। পুলিশ বলছে, কোনওরকমের বিস্ফোরকের চিহ্ন এলাকায় মেলেনি। বেশ কিছু রিপোর্ট দাবি করছে, পুলিশ স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনা সম্ভবত এসি থেকে ঘটতে পারে। জানা যাচ্ছে ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ৯ টা নাগাদ।
জানা যাচ্ছে, গাজি২ নামের এক সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে এসেছে, বিস্ফোরণ ঘিরে তেহরিক এ মুজাহিদ্দিন নামের ওই সংগঠনের দায় স্বীকারের বার্তা। প্রশ্ন উঠছে, এই গাজি২র নেপথ্যে কে? এই প্রোফাইলটি কার? পোস্টে পুলিশ ফাঁড়ি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দিওয়ালির আগে, যোগীগড়ে পুলিশ ফাঁড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘিরে উঠছে বহু প্রশ্ন। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই আইএসআই ও শেহজাদ ভাট্টি গ্যাংয়ের একটি বড়সড় মডিউলের পর্দাফাঁস করে দেয় যোগীগড়ের পুলিশ। এছাড়াও ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্ট বলছে, উত্তর প্রদেশে পুলিশকে টার্গেট করে নাশকতার ছক রয়েছে বলে গোয়েন্দাদের রিপোর্টে ইঙ্গিত রয়েছে। এমন এক পরিস্থিতিতে এই বিস্ফোরণ ঘিরে উঠছে নানান প্রশ্ন। এরপর আজকের এই বিস্ফোরণ ঘিরে নানান প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ বলছে, সমস্ত দিকের তদন্ত চলছে।