Prakash Raj: ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন তিনি। রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় মুখ। দাপুটে অভিনেতা তিনি। কিন্তু বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না স্বনামধন্য অভিনেতা-রাজনীতিবিদ প্রকাশ রাজের (Prakash Raj)। এবার এক্স-এ একটি ভিডিও শেয়ার করে অভিনেতা দাবি করলেন, বেঙ্গালুরু নির্বাচনী এলাকা থেকে তাঁর ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়েছে।

কর্ণাটকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) হয়েছে। আর তাতে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক চর্চাও তুঙ্গে। এর মধ্যে অভিনেতা প্রকাশ রাজ জানালেন তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার কথা। তাঁর অভিযোগ, বেঙ্গালুরু কেন্দ্রের প্রায় ৬৫ লক্ষ বাদ যাওয়া নামের মধ্যে তিনিও একজন, যাঁর নাম এসআইআর-এর পর বাদ গিয়েছে। ৬১ বছর বয়সি অভিনেতার দাবি, বেঙ্গালুরুতেই তাঁর জন্ম, পড়াশোনা এবং থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত থাকা, এমনকী এই কেন্দ্র থেকে ভোটেও লড়েছেন তিনি। অথচ এসআইআর-এ বাদ গিয়েছে তাঁর নামই। কর্ণাটকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পরে তালিকা বেরতেই ভিডিও বার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন অভিনেতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা বিষয়টিকে ‘বড় তামাশা’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ভোটার আইডি ফেরত পেতে কী কী করতে হবে, কী কী কাগজপত্র লাগবে, বলুন, আমি দেখাব। খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। নিজেদের ক্ষমতা দেখানোর জন্যে দেশজুড়ে অনৈতিক কাজকর্ম চলছে। যার ফাঁদে পড়েছি আমি। আমার ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এটা কী তাদের ক্ষমতায় রয়েছে?’
ভিডিওটি শেয়ার করে অভিনেতা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আপনি হয়তো কিছু নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছেন। আপনি জানেন, তাঁরা আপনাকে পুনরায় ক্ষমতায় নির্বাচিত করবে না। কিন্তু আপনাকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের আমাদের যে প্রচেষ্টা, আপনি কী থামাতে পারবেন?’ গত জুনে প্রকাশ রাজের ভোটার আইডি সংক্রান্ত জালিয়াতি ধরা পড়ে। ২০১৯ সালে, আইনজীবী দিলীপ কুমার হালাসুরু গেট থানায় অভিনেতার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যেখানে তিনি বলেন যে, প্রকাশ রাজের কাছে চারটি রাজ্যের ভোটার আইডি কার্ড রয়েছে। তিনি নির্বাচনী নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। কিন্তু তখন তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে দিলীপ বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সেখান থেকেও কোনও সাড়া না মেলায় তিনি ২০১৬ সালে সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপর আদালত অভিনেতাকে দু’বার আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তলব করলেও তিনি হাজির হতে ব্যর্থ হন। যার ফলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এবং গত মাসে তিনি সশরীরে আদালতে উপস্থিত হলে তাঁকে আদালত জামিন দেয়।
{{/usCountry}}ভিডিওটি শেয়ার করে অভিনেতা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আপনি হয়তো কিছু নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছেন। আপনি জানেন, তাঁরা আপনাকে পুনরায় ক্ষমতায় নির্বাচিত করবে না। কিন্তু আপনাকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদের আমাদের যে প্রচেষ্টা, আপনি কী থামাতে পারবেন?’ গত জুনে প্রকাশ রাজের ভোটার আইডি সংক্রান্ত জালিয়াতি ধরা পড়ে। ২০১৯ সালে, আইনজীবী দিলীপ কুমার হালাসুরু গেট থানায় অভিনেতার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যেখানে তিনি বলেন যে, প্রকাশ রাজের কাছে চারটি রাজ্যের ভোটার আইডি কার্ড রয়েছে। তিনি নির্বাচনী নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন। কিন্তু তখন তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরে দিলীপ বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সেখান থেকেও কোনও সাড়া না মেলায় তিনি ২০১৬ সালে সরাসরি আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপর আদালত অভিনেতাকে দু’বার আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তলব করলেও তিনি হাজির হতে ব্যর্থ হন। যার ফলে তাঁর বিরুদ্ধে একটি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এবং গত মাসে তিনি সশরীরে আদালতে উপস্থিত হলে তাঁকে আদালত জামিন দেয়।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, প্রকাশ রাজ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন নির্দল প্রার্থী হিসেবে। দিল্লিতে যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে এবং সাংসদ ভবন অভিযানে তাঁকে সেখানে উপস্থিত হতেও দেখা গিয়েছিল সম্প্রতি। এরই মধ্যে এসআইআরে অভিনেতার নাম বাদ পড়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।