...
...
Next Story

Norway newspaper cartoon: PM মোদীকে 'সাপুড়ে' সাজিয়ে বিতর্কিত কার্টুন, রোষানলে নরওয়ের জনপ্রিয় সংবাদপত্র

Norway newspaper cartoon: সংবাদপত্রে ওই কার্টুন ভাইরাল হওয়ার সময়ই নরওয়ে সফর শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অসলোতে সংবাদিক সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ঘিরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় এবং তা নিয়ে অনলাইন ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়।

Published on: May 20, 2026 12:34 PM IST
Advertisement

Norway newspaper cartoon: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নরওয়ে সফরে প্রশ্ন উঠেছে ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক চলছে। এই পরিস্থিতিতে নরওয়ের একটি প্রথম সারির সংবাদপত্র প্রধানমন্ত্রীকে সাপুড়ে রূপে দেখিয়ে একটি কার্টুন প্রকাশ করতেই আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্কের আগুন নতুন করে ঘি ঢেলেছে। এরপরেই জাতিবিদ্বেষ, ঔপনিবেশিক মানসিকতা এবং ভারতকে অপমান করার অভিযোগ উঠেছে ওই পত্রিকার বিরুদ্ধে।

রোষানলে নরওয়ের জনপ্রিয় সংবাদপত্র (PMO)
রোষানলে নরওয়ের জনপ্রিয় সংবাদপত্র (PMO)

কার্টুনটি প্রকাশ করেছে 'আফটেনপোস্টেন' নামক ওই সংবাদপত্র। অসলোতে প্রধানমন্ত্রী মোদী অবতরণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে একটি মতামত প্রবন্ধের সঙ্গে এটি প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর এক সাংবাদিক সম্মেলন ঘিরে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্টুনটি ভাইরাল হয়ে যায়।

কার্টুনটিতে কী দেখানো হয়েছিল?

কার্টুনটি প্রকাশিত হয়েছিল একটি মতামত প্রবন্ধের সঙ্গে। সেই প্রবন্ধের শিরোনামের বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়, ‘একজন চালাক এবং ঈষৎ বিরক্তিকর মানুষ।’ ওই প্রবন্ধের ব্যাখ্যা করা হয় কেন ভারতের নজর নর্ডিক অঞ্চলের দিকে। আর কার্টুনে প্রধানমন্ত্রীকে একজন ‘সাপুড়ে’ হিসেবে দেখানো হয়। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রয়েছে সাপের খেলা দেখানোর একটি বাঁশি এবং সামনে রয়েছে পেট্রল পাম্পের পাইপের মতো দেখতে একটি ‘সাপ’, যা নাচছে। আর এই কার্টুনটি প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন বহু ভারতীয় ও প্রবাসী ভারতীয় নাগরিক। অনেকেই বলেন, এ ধরনের ছবি শুধু প্রধানমন্ত্রী নয়, গোটা ভারতকেই অপমান করে। তাদের অভিযোগ, নরওয়ের পত্রিকাটি ঔপনিবেশিক যুগের বদ্ধমূল ধারণা ফিরিয়ে এনে ভারতকে 'সাপুড়ের দেশ' হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে। এটা শুধু জাতিবিদ্বেষ নয়, সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত অসম্মানজনক।

সংবাদপত্রে ওই কার্টুন ভাইরাল হওয়ার সময়ই নরওয়ে সফর শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। অসলোতে সংবাদিক সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ঘিরে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় এবং তা নিয়ে অনলাইন ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বিতর্ক শুরু হয়। নরওয়ের এক সাংবাদিক হেলে ল্যাং এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গাহর স্টোরের সঙ্গে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার স্থান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পোস্টের ক্যাপশনে হেলে ল্যাং লেখেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর প্রশ্ন নেননি। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমার প্রশ্ন নেননি। যদিও আমি সেটি প্রত্যাশাও করিনি।’

বর্তমানে বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে নরওয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, ভারত ১৫৪ তম স্থান থেকে নেমে ১৫৭ তম স্থানে আছে। সংবাদিক সম্মেলন থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বেরিয়ে যাওয়ার ভিডিওটি পরে বিদেশ মন্ত্রকের এক সংবাদিক সম্মেলনেও আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যখন হেলে ল্যাং প্রশ্ন করেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নরওয়ে কেন ভারতকে ‘বিশ্বাস’ করবে। জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জ ব্যাখ্যা দেন কেন নয়াদিল্লিকে বিশ্বাস করা যায় এবং কেন ভারত একটি বিশ্বাসযোগ্য অংশীদার। তিনি ভারতের সভ্যতাগত ইতিহাসকে এর প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe