India's Pralay Missile Launch: ঢাকার পথে জয়শংকর, তারইমধ্যে বঙ্গোপসাগরে প্রলয় মিসাইল লঞ্চ ভারতের, কী হল?
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় যাচ্ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তারইমধ্যে প্রলয় মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করল ভারত। পরীক্ষা চালিয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)।
পিনাকার পরে প্রলয়- এক সপ্তাহের মধ্যেই পরপর দুটি মিসাইল পরীক্ষায় সাফল্য পেল ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট নাগাদ ওড়িশা উপকূল (বঙ্গোপসাগর) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি প্রলয় মিসাইলের উৎক্ষেপণ করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। রুটিন পরীক্ষার অংশ হিসেবে সেই মিসাইল লঞ্চ করা হয়েছে। আর চাঁদিপুরে থাকা ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জের ট্র্যাকিং সেনসর এবং জাহাজ থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে দুটি মিসাইলই নির্দিষ্ট পথ ধরেই এগিয়ে গিয়েছে। পূরণ করেছে যাবতীয় মাপকাঠি।

প্রলয় মিসাইলের রেঞ্জ কতটা?
আর সেই প্রলয় মিসাইল তৈরি করেছে ডিআরডিও। যা একেবারে নিখুঁতভাবে নির্দিষ্ট টার্গেটে আঘাত হানতে পারে। বয়ে নিয়ে যেতে পারে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রলয় মিসাইলের রেঞ্জ মোটামুটি ১৫০-৫০০ কিলোমিটারের মতো। আর ৫০০-১,০০০ কিলোগ্রামের মতো অস্ত্র বয়ে নিয়ে যেতে পারে প্রলয় মিসাইল।
প্রলয়ের ঠিক আগেই পিনাকা মিসাইলের পরীক্ষা করা হয়
আর প্রলয় মিসাইলের সেই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের দিনদুয়েক আগেই ওড়িশার উপকূল থেকে পিনাকা দূরপাল্লার মিসাইলের পরীক্ষা করা হয়। এই মিসাইলের এটি প্রথম পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ ছিল। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে এই মিসাইল। এই পিনাকা গাইডেড রকেটটির সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। অর্থাৎ ভারতের উত্তরপূর্ব সীমান্ত থেকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের মতো শহর অনায়াসে সেই মিসাইলের রেঞ্জে চলে আসতে পারে। এছাড়াও বাংলাদেশের খুলনা, রাজশাহির মতো যে কোনও বড় শহরই এই মিসাইলের রেঞ্জে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পিনাকা, প্রলয়ের পাশে ব্রহ্মোস তো আছেই
আর প্রলয়ের রেঞ্জেও বাংলাদেশ থাকবে। যেমন কলকাতা থেকে ঢাকার দূরত্ব মেরেকেটে ৩৫০ কিমি। যদিও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ভারতের এমন অনেক মিসাইল আছে, যেগুলির রেঞ্জে আছে বাংলাদেশ। ব্রহ্মোস মিসাইলের তো রেঞ্জে আছে পাকিস্তানও। গত অক্টোবরেই ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং তো বলেছিলেন, ‘দেশ আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের প্রতিপক্ষরা আর কোনওভাবেই ব্রহ্মোসের গ্রাস থেকে পালাতে পারবে না। পাকিস্তানের ভূখণ্ডের প্রতিটি ইঞ্চি এখন আমাদের ব্রহ্মোসের নাগালের মধ্যে আছে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


