নারী সংরক্ষণ (সংশোধনী) বিল ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল পাস করতে সংসদের তিন দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। আর এরই মাঝে বিজেপি নেতা বুরা নরসাইয়া গৌড় বললেন, সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলের মাধ্যমে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, এখন আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করা হবে এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও (পিওকে) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ভারতের সংসদেও অংশ নেবেন।

বিজেপি সাংসদ বলেন, 'আমরা এই বিলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশের দিকে মনোযোগ দিচ্ছি না। এর আওতায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও আসন বরাদ্দ করা হবে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফিরিয়ে আনা ভারতের প্রতিটি নাগরিকের স্বপ্ন। সাংবিধানিক ও নৈতিকভাবে এটা ভারতের অংশ। এমন একটি দিন অবশ্যই আসবে যখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনগণও ভারতের ভোটদানে অংশ নিতে পারবেন। তাদের প্রতিনিধিরা ভারতের রাজ্যসভা এবং লোকসভায় বসবেন।'
একদিন আগেই, লোকসভায় ১২ ঘণ্টা ধরে আলোচনা হয় নারী শক্তি বন্দন আইন এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল নিয়ে। সেই আলোচনার সময়, লোকসভায় কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি রাজ্যে সংসদীয় আসনের সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে মোট লোকসভা আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৮১৫-এ পৌঁছাতে পারে। এই প্রস্তাবিত আসনগুলির মধ্যে ২৭২টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে তিনটি সংশোধনী বিল পেশ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সংবিধানের ১৩১তম সংশোধন। এছাড়া, ডিলিমিটেশন কমিশন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সংক্রান্ত আইনের সংশোধনী বিল। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানান, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠায় নতুন দিশা মিলবে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সংসদের কার্যসূচিতে নতুন গতি আনতে তিন দিনের একটি বিশেষ অধিবেশন শুরু হয়েছে, যা মূলত বাজোট অধিবেশনের সম্প্রসারিত পর্ব।
{{/usCountry}}কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে তিনটি সংশোধনী বিল পেশ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সংবিধানের ১৩১তম সংশোধন। এছাড়া, ডিলিমিটেশন কমিশন এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সংক্রান্ত আইনের সংশোধনী বিল। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী জানান, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সংসদে নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠায় নতুন দিশা মিলবে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। সংসদের কার্যসূচিতে নতুন গতি আনতে তিন দিনের একটি বিশেষ অধিবেশন শুরু হয়েছে, যা মূলত বাজোট অধিবেশনের সম্প্রসারিত পর্ব।
{{/usCountry}}