রাত পোহালেই দেশ পালন করতে চলেছে স্বাধীনতা দিবস। ১৫ আগস্ট ২০২৬-এ পালিত হতে চলেছে ১৪০ কোটির এই দেশের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। বীর বিপ্লবীদের আত্মত্যাগকে স্মরণে রেখে প্রথা মেনে লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে, দেশের ঐতিহ্য মেনে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীর প্রতি ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর ভাষণে কী কী উঠে এল দেখা যাক।

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতির ভাষণের শুরুতেই উঠে এল বন্দেমাতরমের ধ্বনি! এছাড়াও এদিন তাঁর ভাষণে দেশের যুবসমাজ, পরীক্ষা, কৃষিজীবীদের বিষয়গুলি যেমন প্রাধান্য পেয়েছে, তেমনই তিনি সিন্ধুর জলবণ্টন থেকে শুরু করে সন্ত্রাস ইস্যুতেও বক্তব্য রাখেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয়দানকারী একটি দেশের সঙ্গে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করাটা ছিল জাতীয় স্বার্থে, এবং বিশেষ করে আমাদের কৃষকদের স্বার্থে, একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’ স্বভাবতই এই বার্তা যে পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধুর জলের বণ্টন চুক্তি স্থগিত করা ঘিরে, তা বলাই বাহুল্য। সন্ত্রাস ইস্যুতেও পাকিস্তানকে টার্গেটে রেখেই আসে ভারতের রাষ্ট্রপতির বার্তা। দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, ‘সন্ত্রাসী এবং তাদের সহায়তাকারীদের পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে, তারা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন।’ উঠে আসে অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গ। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অপারেশন সিঁদুর সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নিখুঁত আঘাত হানার ক্ষেত্রে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।’
রাষ্ট্রপতি মুর্মুর ভাষণের একটা অংশ জুড়ে ছিল দেশের যুবসমাজ। তিনি বলেন, যে পাবলিক পরীক্ষাগুলো তরুণদের জন্য সুযোগের প্রবেশদ্বার, তিনি পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ওপর আলোকপাত করেন,এমন সব বিষয় যা শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তিনি ভারতের তরুণদের দেশটির ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ রূপকার হিসেবেও অভিহিত করেন। শিক্ষার পাশাপাশি তিনি উদ্যোক্তা ও স্ব-কর্মসংস্থানের ক্রমবর্ধমান সংস্কৃতির ওপর আলোকপাত করেন এবং ভারতের সম্প্রসারমান স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেমে তরুণ উদ্যোক্তাদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি মুর্মু ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা নিয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি দেশের প্রবৃদ্ধির হার এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে এর ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।
{{/usCountry}}রাষ্ট্রপতি মুর্মুর ভাষণের একটা অংশ জুড়ে ছিল দেশের যুবসমাজ। তিনি বলেন, যে পাবলিক পরীক্ষাগুলো তরুণদের জন্য সুযোগের প্রবেশদ্বার, তিনি পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ওপর আলোকপাত করেন,এমন সব বিষয় যা শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তিনি ভারতের তরুণদের দেশটির ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ রূপকার হিসেবেও অভিহিত করেন। শিক্ষার পাশাপাশি তিনি উদ্যোক্তা ও স্ব-কর্মসংস্থানের ক্রমবর্ধমান সংস্কৃতির ওপর আলোকপাত করেন এবং ভারতের সম্প্রসারমান স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেমে তরুণ উদ্যোক্তাদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বিশ্ব অর্থনীতিতে চলমান অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতি মুর্মু ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা নিয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি দেশের প্রবৃদ্ধির হার এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে এর ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।
{{/usCountry}}