শনিবার সিজেপির প্রতিবাদ রয়েছে দিল্লিতে। তার ঠিক আগের রাতে এদিন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিরোধীরা এদিন রাষ্ট্রপতি ভবন অভিযান শুরু করেন। মাঝে তাঁদের বিজয় চকে আটকে দেওয়া হলেও, শেষমেশ ইন্ডি ব্লকের নেতারা দিল্লিতে সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে।

দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি সাক্ষাতের পর ইন্ডি ব্লকের নেতারা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানে সাংবাদিকদের সংসদের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘কীভাবে নির্বাচন চুরি হয়েছে তার সমস্ত প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। গোটা দেশ তা দেখেছে।’ রাহুল গান্ধী আরও বলেন, ‘আমরা সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে এবং তাঁকে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করতে সুপ্রিম কোর্টে যাব।’ রাহুল গান্ধী বিরোধী দলের সাংসদ ও দলীয় নেতাদের একটি দলকে নিয়ে সংসদ থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন এবং এরপর একটি ছোট দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানায়। এদিন, সংসদের সেন্ট্রাল হলে ‘ইন্ডিয়া ব্লক’-এর প্রায় ১৫০ জন সাংসদ ও অন্যান্য নেতাদের একটি বৈঠকের পর এই মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ১৬টি ভিন্ন দলের ১৬ জন নেতা ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতির কাছে একটি স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন।
এদিন মমতা বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছি, দেশে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে গণতন্ত্র রক্ষা করতে আপনার যথাযথ পদক্ষেপ করা উচিত।’ রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-এর সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, ‘দাবিটা সমগ্র দেশের দাবির মতোই: অসততার পুরো কাঠামো ভেঙে ফেলা, এবং জ্ঞানেশ কুমার ঢালের মতো দাঁড়িয়ে আছেন।’
{{/usCountry}}এদিন মমতা বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছি, দেশে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে গণতন্ত্র রক্ষা করতে আপনার যথাযথ পদক্ষেপ করা উচিত।’ রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-এর সাংসদ মনোজ কুমার ঝা বলেন, ‘দাবিটা সমগ্র দেশের দাবির মতোই: অসততার পুরো কাঠামো ভেঙে ফেলা, এবং জ্ঞানেশ কুমার ঢালের মতো দাঁড়িয়ে আছেন।’
{{/usCountry}}এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে জুলাই মাসে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করা যুব আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আগামী ১০ই অক্টোবর, শনিবার, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত যন্তর মন্তরে একটি বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। সরকার হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছে এবং শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শুরু করে ২৪ ঘণ্টার জন্য যন্তর মন্তরের চারপাশের ৪ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে।