PM Modi Diwali Wishes: দীপাবলি উপলক্ষে শনিবার দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন তিনি। প্রতি বছর দীপাবলির দিনটি সীমান্তে প্রহরারত বীর জওয়ানদের সঙ্গে কাটান প্রধানমন্ত্রী। এ বছরও তিনি সেই রীতি বজায় রাখবেন বলে জানান।

এদিন এক্স-হ্যান্ডলে পোস্ট করা একটি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দীপাবলি উদযাপনের ফলে সারা দেশ আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছে। দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিতে গিয়ে ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নমস্কার! দীপাবলির পবিত্র উৎসবে গোটা দেশ আলোয় ঝলমল করছে। আলোর এই উৎসব অন্ধকারের বিরুদ্ধে আমাদের সংকল্পের পরিচয়। আপনাদের সকলকে দীপাবলির অনেক অনেক শুভেচ্ছা। এই উৎসব আপনাদের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক।' নিজের বার্ষিক উদযাপনের ধারা বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী জানান, সীমান্ত পাহারা দেওয়া দেশের বীর জওয়ানদের মাঝে গিয়ে দীপাবলি কাটানো তাঁর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ বা নিয়মে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরেও সেই ধারায় কোনও ব্যতিক্রম ঘটবে না।
এদিন সকালে উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবি শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, 'উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণজির সঙ্গে দেখা হল। তাঁর সঙ্গে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করলাম।' এর আগে ধনতেরস উপলক্ষেও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে এ বছর তিনি ঠিক কোন সীমান্তে বা কোন সেনাশিবিরে জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব পালন করবেন, তা নিরাপত্তার স্বার্থে আগে থেকে প্রকাশ করা হয়নি। নিরাপত্তার কারণে সাধারণত একেবারে শেষ মুহূর্তে প্রকাশ করা হয় সেই তথ্য। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বছর সেনার সঙ্গে দীপাবলি কাটিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সিয়াচেন বেস ক্যাম্প থেকে এই যাত্রা শুরু হয়েছিল। ২০১৫ সালে পাঞ্জাবের অমৃতসরের কাছে, ২০১৬ সালে হিমাচল প্রদেশে চিন সীমান্তের কাছে সুমদোহতে, ২০১৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজে, ২০১৮ সালে উত্তরাখণ্ডের হারসিলে এবং ২০১৯ সালে রাজৌরিতে দীপাবলি উদযাপন করেন তিনি। এরপর ২০২০ সালে রাজস্থানের জয়সলমেরের লঙ্গেওয়ালা, ২০২১ সালে নওশেরা, ২০২২ সালে কার্গিল, ২০২৩ সালে লেপচা, ২০২৪ সালে গুজরাটের স্যার ক্রিক এবং ২০২৫ সালে বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্তে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরগুলিতে সেনাকর্মীদের মিষ্টি বিতরণ, তাঁদের সঙ্গে খোলামেলা কথাবার্তা এবং সশস্ত্র বাহিনীকে বৃহত্তর পরিবারের অংশ হিসেবে তুলে ধরতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।
{{/usCountry}}তবে এ বছর তিনি ঠিক কোন সীমান্তে বা কোন সেনাশিবিরে জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব পালন করবেন, তা নিরাপত্তার স্বার্থে আগে থেকে প্রকাশ করা হয়নি। নিরাপত্তার কারণে সাধারণত একেবারে শেষ মুহূর্তে প্রকাশ করা হয় সেই তথ্য। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে প্রত্যেক বছর সেনার সঙ্গে দীপাবলি কাটিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সিয়াচেন বেস ক্যাম্প থেকে এই যাত্রা শুরু হয়েছিল। ২০১৫ সালে পাঞ্জাবের অমৃতসরের কাছে, ২০১৬ সালে হিমাচল প্রদেশে চিন সীমান্তের কাছে সুমদোহতে, ২০১৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের গুরেজে, ২০১৮ সালে উত্তরাখণ্ডের হারসিলে এবং ২০১৯ সালে রাজৌরিতে দীপাবলি উদযাপন করেন তিনি। এরপর ২০২০ সালে রাজস্থানের জয়সলমেরের লঙ্গেওয়ালা, ২০২১ সালে নওশেরা, ২০২২ সালে কার্গিল, ২০২৩ সালে লেপচা, ২০২৪ সালে গুজরাটের স্যার ক্রিক এবং ২০২৫ সালে বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্তে জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরগুলিতে সেনাকর্মীদের মিষ্টি বিতরণ, তাঁদের সঙ্গে খোলামেলা কথাবার্তা এবং সশস্ত্র বাহিনীকে বৃহত্তর পরিবারের অংশ হিসেবে তুলে ধরতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।
{{/usCountry}}