...
...
Next Story

Chhattisgarh: এনডোস্কোপি ক্যামেরা দিয়ে সুচের ছিদ্রে প্রশ্নফাঁস! ছত্তিসগঢ়ে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতিতে অধ্যাপকের কীর্তিফাঁস

Chhattisgarh agriculture exam leak: গত ২০ অগস্ট ইন্দিরা গান্ধী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইজিকেভি) অধীনে থাকা ২৮টি কলেজে কীটতত্ত্বের স্নাতকস্তরের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগেই পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ায় হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে যায়।

Published on: Aug 23, 2026, 14:52:13 IST
Advertisement

Chhattisgarh agriculture exam leak: প্রশ্নপত্র ফাঁস-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা দেশ। তার মধ্যেই আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কীভাবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করা যায়, তার এক অবিশ্বাস্য ও অভিনব ঘটনার পর্দাফাঁস করল পুলিশ (Chhattisgarh Question Paper Leak)। ছত্তীসগঢ়ের ইন্দিরা গান্ধী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (আইজিকেভি) স্নাতকস্তরের কীটতত্ত্ব (এন্টোমোলজি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় এক অধ্যাপক-সহ মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অত্যন্ত সন্তর্পণে মুখবন্ধ খামে সুচ দিয়ে ছিদ্র করে তার ভেতর দিয়ে পাতলা এনডোস্কোপি ক্যামেরা ঢুকিয়ে এই জালিয়াতি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

ছত্তীসগঢ়ে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতিতে অধ্যাপকের কীর্তিফাঁস (সৌজন্যে টুইটার)
ছত্তীসগঢ়ে চাঞ্চল্যকর জালিয়াতিতে অধ্যাপকের কীর্তিফাঁস (সৌজন্যে টুইটার)

গত ২০ অগস্ট ইন্দিরা গান্ধী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইজিকেভি) অধীনে থাকা ২৮টি কলেজে কীটতত্ত্বের স্নাতকস্তরের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগেই পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ায় হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা বাতিল করে দেয়। কী ভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরপরই শুরু হয় পুলিশের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত। তার পরেই ওই অধ্যাপক-সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু কী ভাবে গোপনে প্রশ্নপত্রের ছবি তুললেন ওই অধ্যাপক?

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গত ১৭ অগস্ট, অর্থাৎ পরীক্ষার ঠিক তিন দিন আগে রায়পুরের জোরায় কৃষি কলেজে উত্তরপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন অভিযুক্ত অধ্যাপক যোগেশ সোনকেসারিয়া। সেখানে তিনি দ্বিতীয় বর্ষের প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেন। শুধু কীটতত্ত্ব নয়, অন্য বিষয়েরও প্রশ্নপত্র ছিল তাঁর কাছে। কলেজে বাকি সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র জমা দিলেও, কীটতত্ত্বের খামটি তিনি সযত্নে নিজের বাড়ি নিয়ে চলে যান। মুখবন্ধ খাম না খুলেই কীভাবে প্রশ্নপত্র বাইরে আনা যায়, সেই ফন্দি আঁটতে শুরু করেন ওই অধ্যাপক। তদন্তকারীদের দাবি, বাড়ি ফেরার পথে তিনি একটি এনডোস্কোপি করার পাতলা ক্যামেরা কেনেন। এরপর বাড়িতে ফিরে খামের গায়ে সুচ দিয়ে অত্যন্ত সূক্ষ্ম একটি ছিদ্র করেন। সেই ছিদ্রের মাধ্যমেই ক্যামেরার লেন্স খামের ভেতরে প্রবেশ করান। ক্যামেরার পর্দায় ভেসে ওঠা প্রশ্নপত্রের ছবিগুলি ক্যামেরাবন্দি করে তা পরীক্ষার আগের দিন, অর্থাৎ ১৯ অগস্ট, তিন জন পড়ুয়ার কাছে ১১ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। পরবর্তী সময়ে সেই ছবি হাতবদল হয়ে আরও বহু পড়ুয়ার কাছে পৌঁছে যায়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe