...
...
Next Story

চিনা রোবো ডগ-কাণ্ড! AI সামিটে বিতর্কের পর অধ্যাপকের LinkedIn প্রোফাইল ভাইরাল

বিতর্কের সূত্রপাত ‘ওরিয়ন’ নামক নজরদারি রোবো কুকুর নিয়েই সম্মেলনে গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা আসার পরে।

Published on: Feb 19, 2026, 16:35:03 IST
Advertisement

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে নরেন্দ্র মোদী সরকারের স্বপ্নের কর্মসূচী-এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপমে গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে এই সম্মেলন। দেশি-বিদেশি বহু অতিথি আমন্ত্রিত। তাদের সামনেই নয়ডা ভিত্তিক গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রেজেন্টেশন ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তবে বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়ে সামিট কর্তৃপক্ষ।

অধ্যাপকের LinkedIn প্রোফাইল ভাইরাল
অধ্যাপকের LinkedIn প্রোফাইল ভাইরাল

বিতর্কের সূত্রপাত ‘ওরিয়ন’ নামক নজরদারি রোবো কুকুর নিয়েই সম্মেলনে গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা আসার পরে। একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে, যেখানে নেহা সিং নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক দাবি করছেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠান ৩৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণায়। তারই ফলশ্রুতি ওই রোবো কুকুর। যে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঘুরে বেরিয়ে নিজে নিজেই নজরদারি চালাতে পারবে। ওই রোবটিক ডগের ভিডিও বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ৷ চায়না পালস নামে একটি সংবাদমাধ্যমের এক্স হ্যান্ডেলে ওই ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করা হয় ৷ সেখানে লেখা হয়, চাইনিজ রোবট ‘ইউনিট্রি জিও২’-কে নিজেদের উদ্ভাবন বলে দিল্লির এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে দাবি করেছে ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয় ৷ আর তারপরই সমালোচনার ঝড় বয়ে যায় ৷

এরপরেই গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়কে এআই সামিট থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিতর্কের জেরে স্টলটির বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র বিতর্কের পরে অবস্থান বদল করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে সাফাইয়ের সুরে জানান, ‘আমাদের যে প্রতিনিধি প্যাভিলিয়নের দায়িত্বে ছিলেন, তিনি ভাল করে বিষয়টি জানতেন না। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অনুমতিও তাঁকে দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও তিনি বলেছেন। পণ্যটির উৎস সম্পর্কে ওঁর কোনও ধারণা ছিল না। ক্যামেরার সামনে কথা বলার উত্তেজনায় তিনি ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছেন।' কিন্তু তাতে সমস্যা থামেনি।

অধ্যাপক নেহা সিং কে?

গালগোটিয়ার অধ্যাপক নেহা সিং দাবি করেছেন, 'বিষয়টি হয়তো সঠিকভাবে বোঝাতে পারিনি ৷ কারণ খুব তাড়াহুড়ো ছিল ৷ ওই রোবোটিক ডগের ব্র্যান্ডিং প্রডাক্টের উপরই ছিল ৷ আমরা কোনও ব্র্যান্ডিং পরিবর্তন করিনি ৷ তাহলে আমরা কীভাবে দাবি করতে পারি যে আমরা ওটা তৈরি করেছি ? আমি এটাই বলেছি যে, আমরা এটা আমাদের ছেলেদের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছি যাতে এর থেকে আরও ভালো কিছু তৈরি করা যায় ৷' এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণণ জানিয়েছেন, 'কোনও সংস্থার তরফে এমন কিছু দেখানো না হোক যা সেই সংস্থার তৈরি করেনি ৷'

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe