পঞ্জাবের জলন্ধরে বিএসএফ সদর দফতরের বাইরে বিকট বিস্ফোরণ ঘটল। অপরদিকে ৫ মে সন্ধ্যায় অমৃতসরের সেনা ক্যাম্পে গ্রেনেড হামলা হয়। বাইকে আরোহী দুই মুখোশধারী বিস্ফোরক ছুড়ে পাায়। সেই বোমা দেয়ালে গিয়ে লাগে। এরপরই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে পাঁচিলে টিনের শেডগুলি ভেঙে পড়ে। গেট নম্বর ৬ এবং ৭-এর মাঝে প্রাচীর কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থও হয়েছে। হামলায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, এই আর্মি ক্যাম্পটি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের খুব কাছে।

এসএসপি সোহেল মীর কাসিম জানিয়েছেন, রাত ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে অমৃতসরের খাসা এলাকায় সেনা শিবিরের বাইরে একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটে। বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড এবং ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিস্ফোরণের পরপরই। এই বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু করছে পুলিশ। ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির দলটি ঘটনাস্থল থেকে নমুনা এবং প্রমাণ সংগ্রহ করছে।
এদিকে জলন্ধরের বিস্ফোরণে আইইডি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেই ঘটনায় দু'জন আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জলন্ধরে বিএসএফ সদর দফতরের গুরপ্রীত সিং নামে এক ব্যক্তির স্কুটারে আগুন লাগে এবং পরে সেখান থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। গুরপ্রীতের এক আত্মীয় সেই স্কুটারটি ব্যবহার করছিলেন। সেই আত্মীয় কুরিয়ার বয় হিসেবে কাজ করেন। ৫ মে রাতে অ্যাক্টিভা পার্ক করে তিনি সদর দফতরের ভিতরে পার্সেল সরবরাহ করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। এই আবহে গুরপ্রীত ও তাঁর সেই আত্মীয়কে আটক করেছে পুলিশ। জলন্ধরের পুলিশ কমিশনার ধনপ্রীত কৌর জানিয়েছেন, স্কুটিতে আগুন লাগার পর বিস্ফোরণ ঘটে। সেই স্কুটারে বিস্ফোরক ছিল কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু বলেননি তিনি।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে জলন্ধরে বিএসএফ সদর দফতরের সামনে বিস্ফোরণের দায় ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছে খলিস্তান লিবারেশন আর্মি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। সেই পোস্টে বলা হয়, ৫ মে রাত ৮টায় পঞ্জাবের জলন্ধরের বিএসএফ সদর দফতরে হামলা চালানো হয়েছিল। খলিস্তান লিবারেশন আর্মি এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এই হামলায় বিএসএফের দুই জওয়ান নিহত ও ৩ জন আহত হন। অপারেশন নাভা সাভেরার অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের ভাই শহিদ রঞ্জিত সিংয়ের রক্তের প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। খলিস্তান মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই পোস্টে ডিআইজি সন্দীপ গোয়েল এবং তাঁর পরিবারকে টার্গেট করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তবে এই পোস্টে জওয়ানদের মৃত্যুর দাবির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
{{/usCountry}}এদিকে মঙ্গলবার রাতে জলন্ধরে বিএসএফ সদর দফতরের সামনে বিস্ফোরণের দায় ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছে খলিস্তান লিবারেশন আর্মি। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। সেই পোস্টে বলা হয়, ৫ মে রাত ৮টায় পঞ্জাবের জলন্ধরের বিএসএফ সদর দফতরে হামলা চালানো হয়েছিল। খলিস্তান লিবারেশন আর্মি এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এই হামলায় বিএসএফের দুই জওয়ান নিহত ও ৩ জন আহত হন। অপারেশন নাভা সাভেরার অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের ভাই শহিদ রঞ্জিত সিংয়ের রক্তের প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। খলিস্তান মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই পোস্টে ডিআইজি সন্দীপ গোয়েল এবং তাঁর পরিবারকে টার্গেট করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তবে এই পোস্টে জওয়ানদের মৃত্যুর দাবির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
{{/usCountry}}