Modi and Putin:দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, অর্থনীতি থেকে সন্ত্রাস!মোদী-পুতিনের বার্তায় এল একাধিক ইস্য়ু, একগুচ্ছ সমঝোতা সম্পন্ন
শুক্রবার ভারত-রাশিয়ার মধ্যে একাধিক বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই দেশের রাষ্ট্রনেতারা কী কী বললেন?
বিশ্ব কূটনৈতিক আঙিনায় তাৎপর্য রেখে ভারতে ২৭ ঘণ্টার সফরে এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৃহস্পতির সন্ধ্যাতেই তিনি ভারতে পা রাখেন। সেখান থেকে তাঁকে সাদরে গ্রহণ করে নিজের বাসভবনে নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এরপর শুক্রবার বেলা গড়াতেই যৌথভাবে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁদের বক্তব্য থেকে কী কী উঠে এল?

বক্তব্যের শুরুর দিকে সন্ত্রাস নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন,' সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসী হামলা হোক বা ক্রোকাস সিটি হলে কাপুরুষোচিত হামলা, এই ধরনের সকল কর্মকাণ্ডের মূল একই। ভারত বিশ্বাস করে যে সন্ত্রাসবাদ মানবতার মূল্যবোধের উপর সরাসরি আক্রমণ, এবং এর বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ঐক্য আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।' এছাড়াও রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মোদী বলেন, ভারত নিরপেক্ষ নয়, বরং শান্তির পক্ষে।
( Shanidev Astrology: ২০২৬ সালে শনিদেবের প্রভাব ১২ রাশিতে কেমন হবে? রইল রাশিফল)
উল্লখ্য, প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের মধ্যে আলোচনার পর ভারত ও রাশিয়া বন্দর ও জাহাজ চলাচল খাতে সহযোগিতার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এছাড়াও রাশিয়ান পর্যটকদের জন্য ৩০ দিনের ই টুরিস্ট ভিসা এও ৩০ দিনের গ্রুপ টুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে খুব শিগগির আনতে চলেছে ভারত, বলে ঘোষণা করেন মোদী।
এদিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন, রাশিয়া ক্রমাগত ভারতকে তেল সরবরাহ করে যাবে। নরেন্দ্র মোদী বলেন,'আমরা ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নের সাথে দ্রুত এফটিএ চুক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। ভারত ও রাশিয়া ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচিতে সম্মত হয়েছে।' পুতিন জানান, দুই পক্ষ নিরাপত্তা, অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং সংস্কৃতির ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার দিকে নজর দিচ্ছি। পুতিন বলেন, রাশিয়া নয়াদিল্লির সাথে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের দিকেও নজর দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, সার থেকে খাদ্য নিরাপত্তা, মেডিক্যাল সায়ান্স, কনজিউমার প্রোটেকশন সহ একাধিক বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে।
ভারতীয় সংস্থাগুলি রাশিয়ায় একটি ইউরিয়া প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য রাশিয়ার URALCHEM-এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দ্বিপাক্ষিক শিল্প সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।












