...
...
Next Story

Nepal Disaster: 'দোষারোপ করে কোনও...,' নেপাল মহাপ্রলয়ের দায় এড়াল চিন, কাঠমান্ডু-বেজিং সম্পর্কে ফাটল?

Nepal Disaster: বৃহস্পতিবার নেপালের সমস্ত দাবি খারিজ করে দেয় বেজিং। পাশাপাশি, এ ধরনের খবরকে ‘ভুয়ো’ বলেও অভিহিত করে তারা।

Published on: Aug 27, 2026, 19:49:46 IST
Advertisement

Nepal Disaster: প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় ফের এক নজিরবিহীন ট্র্যাজেডির সাক্ষী থাকল হিমালয়ের পাদদেশ। নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় রাসুয়া জেলা এবং তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন গ্যিরং এলাকায় আচমকা নেমে আসা বিধ্বংসী হড়পা বানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৫৩ প্রাণহানির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, ১,৩০০ বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, যার মধ্যে কমপক্ষে ২৮৮ জন ভারতীয় নাগরিকও রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নেপাল বিপর্যয়ের দায় এড়াল চিন। বেজিং সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দোষারোপ করে লাভ নেই। তাহলে কী এবার বেজিং-কাঠমান্ডু সম্পর্কে চিড় ধরল? এই প্রশ্নটাই এখন জোরালো হচ্ছে।

নেপাল মহাপ্রলয়ের দায় এড়াল চিন (PTI)
নেপাল মহাপ্রলয়ের দায় এড়াল চিন (PTI)

রাসুওয়াগাধি-গ্যিরং সীমান্ত ও গ্যিরং বন্দর এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানের পর চিনের দিকে আঙুল তোলে নেপাল। সে দেশের বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠে, চিনের পক্ষ থেকে আগাম সতর্কতা দেওয়া হলে সীমান্তের নিচের দিকে থাকা মানুষদের প্রাণহানি কমানো সম্ভব হতো কিনা। নেপালের সংবাদমাধ্যম 'নয়াপত্রিকা'র এক সাংবাদিক সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করেন, চিনা ভূখণ্ড থেকে বারবার দুর্যোগের প্রভাব এলেও নেপাল একতরফাভাবে এর মূল্য দিচ্ছে। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নেপালের জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান গোবিন্দ রাজ পোখারেল।

তিনি বলেন, চিনের উন্নত স্যাটেলাইট ও প্রযুক্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে এমন কোনও বিপর্যয়ের পূর্বাভাস পাওয়া এবং তা নেপালকে জানানো সম্ভব ছিল বলে তিনি আশা করেছিলেন। কিন্তু তা হয়নি। এমনকী নদীর তীরে মানুষকে সতর্ক করতে যাওয়া পুলিশ সদস্যরাও জলের স্রোতে ভেসে যান। গোবিন্দ রাজ পোখারেলের মতে, সীমান্ত এলাকায় হিমবাহ-হ্রদ বিস্ফোরণজনিত বন্যা বা গলফ, বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় চিন ও নেপালের মধ্যে আরও কার্যকর তথ্য বিনিময় ও আগাম সতর্কতাব্যবস্থা প্রয়োজন।

চিনের প্রতিক্রিয়া

অন্যদিকে ইউএসজিএস প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল, বুধবার ভোরে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার উত্তরে নেপাল-চিন সীমান্তের কাছে ৪.৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। কিন্তু পরে তারা তাদের মূল্যায়ন সংশোধন করে জানায় যে, এই কম্পন ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট নয়। এটি হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.২। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিকটবর্তী ভূ-কম্পন পরিমাপক কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য, ভূ-কম্পন তরঙ্গ এবং প্রাপ্ত উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, হিমবাহ ধসের ফলে বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর নিচের দিকে নেমে আসে এবং আকস্মিক জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। এর জেরেই উপত্যকার নিচের জনবসতিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও এই হড়পা বানের নেপথ্য কারণ হিসাবে হিমবাহ ধসকেই মান্যতা দিয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe