Rafale Fighter Jet Upgrade: আরও শক্তিশালী, আরও বিধ্বংসী, আরও দুর্ধর্ষ রাফাল যুদ্ধবিমান তৈরির পথে এগিয়ে গেল ফ্রান্স। সেই প্রযুক্তির কাজের জন্য ইতিমধ্যে দাঁসো অ্যাভিয়েশন, সাফরানের মতো সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে ফ্রান্সের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ আর্নামেন্টের তরফে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের রাফাল যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য যে এফ৫ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, তা শুরু হয়ে যাবে ২০২৬ সালের মধ্যেই। আর তারপর পরবর্তী দশকের প্রথম ভাগেই আকাশে নিয়মিত উড়বে আরও অত্যাধুনিক রাফাল যুদ্ধবিমান।
রাফালের ঢেলে উন্নতি করা হচ্ছে

রিপোর্ট অনুযায়ী, এফ৫ কর্মসূচির আওতায় রাফাল যুদ্ধবিমানের রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, প্রপালশন, অস্ত্র বহনের ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তোলা হবে। আগামী প্রজন্মে যে বিপদ আসতে পারে, সেটার অনুধাবন করেই রাফালকে ঢেলে সাজানো হবে।
রাডারে কার্যত ধরা যাবেই না রাফালকে
সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্সের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ আর্নামেন্টকে উদ্ধৃত করে দ্য ওয়ার জোনের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে অত্যাধুনিক রাফালে আরও শক্তিশালী রাডার যুক্ত করা হবে। তার ফলে আরও দূর থেকে বিপদ চিহ্নিত করে ফেলতে পারবে। অথচ রাফালকে কার্যত ধরাই যাবে না রাডারে। অর্থাৎ আরও স্টেলথ হয়ে উঠবে।
স্পেক্সট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার থেকে আরও অস্ত্র
পাশাপাশি ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতকে দুর্ধর্ষ সাফল্য এনে দেওয়ার পিছনে রাফালের যে স্পেক্সট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ভূমিকা ছিল, তাও আরও মারাত্মক হয়ে উঠবে। ফলে রাফালের নজর এড়িয়ে যেতে পারবে না কোনও টার্গেট বা শত্রুপক্ষ। বাড়বে জ্যাম করে দেওয়ার ক্ষমতাও। সবমিলিয়ে এমনভাবে সেই নয়া রাফাল কাজ করবে যে আকাশপথে সুপার কম্পিউটার হয়ে উঠবে ফ্রান্সের যুদ্ধবিমান।
{{/usCountry}}পাশাপাশি ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতকে দুর্ধর্ষ সাফল্য এনে দেওয়ার পিছনে রাফালের যে স্পেক্সট্রা ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ভূমিকা ছিল, তাও আরও মারাত্মক হয়ে উঠবে। ফলে রাফালের নজর এড়িয়ে যেতে পারবে না কোনও টার্গেট বা শত্রুপক্ষ। বাড়বে জ্যাম করে দেওয়ার ক্ষমতাও। সবমিলিয়ে এমনভাবে সেই নয়া রাফাল কাজ করবে যে আকাশপথে সুপার কম্পিউটার হয়ে উঠবে ফ্রান্সের যুদ্ধবিমান।
{{/usCountry}}ভারতের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ F5 কর্মসূচি?
আর ভারতের জন্য রাফালের এফ৫ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ ভারতীয় বায়ুসেনার ক্রমহ্রাসমান ফাইটার জেটের স্কোয়াড্রনের মধ্যেও যুদ্ধে পরীক্ষিত আরও ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার তোড়জোড় করছে ভারত। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত মাসেই প্রস্তাব জমা দিয়েছে দাঁসো অ্যাভিয়েশন। ১৮টি ফ্রান্স থেকে ডেলিভারি দেওয়া হবে। বাকি ৯৬টি রাফাল তৈরি করা হবে ভারত।
সেই আবহে ভারতের জন্য রাফালের এফ৫ কর্মসূচি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হবে, কারণ প্রাথমিকভাবে এফ৪ মানদণ্ডের যুদ্ধবিমান দেওয়া হবে বলে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে এফ৪ মানদণ্ডের রাফাল হাতে পেলেও পরবর্তীতে এফ৫-তে আপগ্রেড করার সুযোগ থাকবে। সেই পরিস্থিতিতে আরও উন্নত ও শক্তিশালী রাডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, প্রপালশন সিস্টেম বিশিষ্ট রাফাল ওড়াবে ভারত। তাছাড়া সুযোগ থাকবে নয়া ধাঁচের অস্ত্র যুক্ত করার। সবমিলিয়ে ভারতের হাত আরও মজবুত হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।