Rahul Gandhi: গত ২০ জুলাই দিল্লিতে বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান নিয়ে ফের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে নিশানা করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সংবাদপত্র 'দ্য হিন্দু'-র একটি নিবন্ধে তিনি বলেন, ‘সরকার হয় পুলিশি অভিযানের অনুমতি দিয়েছিল বা কিছু জানতই না। সরকারকে এর দায়ভার নিতেই হবে।'

রাহুল গান্ধী বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে তরুণ-তরুণীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তাঁরা স্বচ্ছ শিক্ষাব্যবস্থা চান। কিন্তু সরকার তরুণদের কণ্ঠকে নির্মম আক্রমণে দমিয়ে দিতে চেয়েছে। তাঁদের উপর টিয়ার গ্যাস ছোঁড়া হয়েছে, পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে এবং পেলেট গান দিয়ে গুলি করা হয়েছে।’ তবে ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ ২০ জুলাইয়ের অভিযান চলাকালীন পেরেক লাগানো লাঠি ও পেলেট গান ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেছে। এই প্রসঙ্গে কংগ্রেস সাংসদ বিক্ষোভ চলাকালীন শরীরে একাধিক ছররার আঘাতে আহত ১৯ বছর বয়সি এক আন্দোলনকারীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করেছেন। বিরোধী দলনেতা বলেন, ’আমি যার সঙ্গে দেখা করেছি, ১৯ বছর বয়সি সাহিল লোচাব-এর সারা শরীরে শয়ে শয়ে সিসার ছররা বিঁধে ছিল। একটি ছররা তাঁর চোখে লেগে সম্ভবত তাঁকে অন্ধ করে দিয়েছে। পুলিশ লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে মারধর করেছে তরুণীদের, অনেকের শরীরের স্পর্শকাতর অংশে আঘাত লেগেছে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের লাঠি দিয়ে মারা হয়েছে, হাড় ভেঙেছে, শরীরে কাটা-দাগ-কালশিটে। বিহারের সিওয়ানে একে-৪৭-সহ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে বিক্ষোভকারীদের গুলি করা হয়েছে, অনেকে গুরুতর আহত।'
এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেন, 'নরেন্দ্র মোদী সরকার তার কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণের জন্য গর্ব করে। মঙ্গল অভিযান হোক বা অলিম্পিক, বারবার তারা প্রচার করে যে সব কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। তাঁদের অনুমোদন ছাড়া কিছুই নড়ে না।' তিনি আরও বলেন, 'এই সহিংসতা ঘটেছে দিল্লির কেন্দ্রে, সংসদ থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে। দিল্লি পুলিশ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে। এখানে মাত্র দুটি সম্ভাবনা। প্রথম, তিনি ছাত্রদের উপর হামলার অনুমতি দিয়েছেন - সেক্ষেত্রে তিনি দোষী। দ্বিতীয়, তিনি জানতেনই না যে কী ঘটছে - সেক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ অযোগ্য। যে কোনও ভাবেই হোক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সেদিন যা ঘটেছে তার দায় তাঁর। এবং তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।' যুব সমাজের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে কংগ্রেস নেতা বলেন, 'বিরোধী হিসেবে আমরা যুবসমাজের পাশে আছি। আমরা এই অপরাধগুলোকে শাস্তি ছাড়া যেতে দেব না। ২০ জুলাই, ২০২৬-এ সাহিল এবং হাজার হাজার তরুণ সারা ভারতে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহিতা চেয়েছে। শীঘ্রই হোক বা পরে, তারা সেই জবাব পাবে। এবং আমরা তা নিশ্চিত করব।'
{{/usCountry}}এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেন, 'নরেন্দ্র মোদী সরকার তার কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণের জন্য গর্ব করে। মঙ্গল অভিযান হোক বা অলিম্পিক, বারবার তারা প্রচার করে যে সব কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। তাঁদের অনুমোদন ছাড়া কিছুই নড়ে না।' তিনি আরও বলেন, 'এই সহিংসতা ঘটেছে দিল্লির কেন্দ্রে, সংসদ থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে। দিল্লি পুলিশ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) সরাসরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে। এখানে মাত্র দুটি সম্ভাবনা। প্রথম, তিনি ছাত্রদের উপর হামলার অনুমতি দিয়েছেন - সেক্ষেত্রে তিনি দোষী। দ্বিতীয়, তিনি জানতেনই না যে কী ঘটছে - সেক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ অযোগ্য। যে কোনও ভাবেই হোক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সেদিন যা ঘটেছে তার দায় তাঁর। এবং তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে।' যুব সমাজের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে কংগ্রেস নেতা বলেন, 'বিরোধী হিসেবে আমরা যুবসমাজের পাশে আছি। আমরা এই অপরাধগুলোকে শাস্তি ছাড়া যেতে দেব না। ২০ জুলাই, ২০২৬-এ সাহিল এবং হাজার হাজার তরুণ সারা ভারতে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহিতা চেয়েছে। শীঘ্রই হোক বা পরে, তারা সেই জবাব পাবে। এবং আমরা তা নিশ্চিত করব।'
{{/usCountry}}