...
...
Next Story

TMC Symbol: 'ভোট চুরি, সরকার চুরি, এখন পার্টি চুরি!' জোড়াফুল ফ্রিজ হতেই রাহুলের নিশানায় বিজেপি-EC, তোপ কেজরিওয়ালের

TMC Symbol: বৃহস্পতিবার একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে বলা হয়, নেতৃত্বের বিবাদ পুরোপুরি না মেটা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের বিবদমান দুটি গোষ্ঠীর কেউই 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' নাম বা দলের 'জোড়া ঘাসফুল' প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

Published on: Sep 18, 2026, 20:00:23 IST
Advertisement

TMC Symbol: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

জোড়াফুল ফ্রিজ হতেই রাহুল গান্ধীর নিশানায় বিজেপি-EC, তোপ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের
জোড়াফুল ফ্রিজ হতেই রাহুল গান্ধীর নিশানায় বিজেপি-EC, তোপ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতির অভিযোগ, প্রথমে শিবসেনা, তারপর এনসিপি এবং এখন তৃণমূল কংগ্রেস-প্রতিবার একই কায়দায় বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন এক হয়ে রাজনৈতিক দলকে ভাঙার কাজ করছে। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের খোঁচা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে ঘাসফুল কেড়ে নিয়ে আসলে প্রধানমন্ত্রী জন্মদিনের উপহার দিয়েছেন।

রাহুল গান্ধীর প্রতিক্রিয়া

শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী লিখেছেন, 'প্রথমে শিবসেনা, তারপর এনসিপি, আর এখন তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবারই একই প্যাটার্ন—বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে একটি রাজনৈতিক দলকে ভেঙে দেয়। তারপর তার নির্বাচনী প্রতীকও কেড়ে নেওয়া হয়। যখন গোটা একটা রাজনৈতিক দলই চুরি হয়ে যেতে পারে, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ভোট চুরি হওয়াও আর অবাক করার মতো বিষয় নয়। ভোট চুরি। সরকার চুরি। এখন পার্টি চুরি—এগুলি আমাদের গণতান্ত্রিক পতনের প্রতীক হয়ে উঠেছে।' লোকসভার বিরোধী দলনেতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, 'নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব হল জনাদেশকে রক্ষা করা, কিন্তু উল্টে তারা সেই শক্তিগুলিকে সাহায্য করছে, যারা জনগণের রায়কেই উল্টে দেয়। এই লড়াই শুধু মমতা ব্যানার্জির নয়। এটি প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং প্রতিটি ভোটারের লড়াই, যারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়।'

কী বললেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল?

বৃহস্পতিবার একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে বলা হয়, নেতৃত্বের বিবাদ পুরোপুরি না মেটা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের বিবদমান দুটি গোষ্ঠীর কেউই 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' নাম বা দলের 'জোড়া ঘাসফুল' প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। ইসিআই-এর নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, 'শ্রী অরূপ রায়ের (আবেদনকারী) নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (প্রতিবাদী) নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী—এই দুটির কেউই 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' দলের নাম ব্যবহার করার অনুমতি পাবে না।' বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনে এই বিষয়ে শুনানি হয়। সেখানে দুই শিবিরের চূড়ান্ত বক্তব্য শোনার পরেই এই নির্দেশ দেয় কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রতীক সংক্রান্ত আদেশের ১৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী বিস্তারিত কার্যধারার মাধ্যমে দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে উপনির্বাচন সামনে থাকায় আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন দুই গোষ্ঠীকেই পৃথক নাম ও নির্বাচনী প্রতীক বেছে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। পছন্দের ক্রমানুসারে তিনটি করে নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জমা দিতে বলা হয়েছিল দুই পক্ষকে। ইতিমধ্যে তিনটি করে প্রতীক ও নাম কমিশনকে দুপক্ষই ইমেল করে পাঠিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks