...
...
Next Story

CJP Protest: '১০ বছরে ১৫২ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস!' ফের রাহুলের নিশানায় কেন্দ্র, বড় বার্তা ওয়াংচুকের

CJP Protest: রাহুল গান্ধীর দাবি, গত ১০ বছরে দেশে অন্তত ১৫২টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৭.৫ কোটি ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনও পর্যন্ত একজনও দোষী সাব্যস্ত হননি।

Published on: Jul 24, 2026, 03:31:01 IST
Advertisement

CJP Protest: নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার কংগ্রেস সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে এবং বর্তমান সরকারের আমলে তা কারচুপির শিকার হয়েছে। এর ফলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাত্রছাত্রীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ফের রাহুল গান্ধীর নিশানায় কেন্দ্র (Hindustan Times)
ফের রাহুল গান্ধীর নিশানায় কেন্দ্র (Hindustan Times)

রাহুল গান্ধীর দাবি, গত ১০ বছরে দেশে অন্তত ১৫২টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৭.৫ কোটি ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখনও পর্যন্ত একজনও দোষী সাব্যস্ত হননি। দিল্লিতে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁদের দাবি সম্পূর্ণ ন্যায্য। কিন্তু সরকার তাঁদের কথা শোনার বদলে বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে কংগ্রেস নেতা বলেন, তিনি 'দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অযোগ্য।' তাঁর অভিযোগ, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ শিক্ষা ব্যবস্থাকে শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বেই ধ্বংস করা হচ্ছে। তাই ধর্মেন্দ্র প্রধানের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।

সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। প্রথমত, অযোগ্যতার কারণে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অপসারণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তৃতীয়ত, এই পুরো ঘটনার জন্য দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত। রাহুল গান্ধী আরও দাবি করেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে এবং বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেও সাধারণ পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা শেষ পর্যন্ত সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, আর প্রভাবশালী ও সুবিধাপ্রাপ্তদের হাতেই মেডিক্যালের আসন চলে যাচ্ছে।

কী বললেন সোনম ওয়াংচুক?

তবে ২০ জুলাইয়ের 'চলো সংসদ' কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে ওয়াংচুক অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ অন্যায্য শক্তি প্রয়োগ করেছে। তিনি লেখেন, 'গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা যেন পুলিশি হয়রানি বা প্রতিশোধমূলক মামলায় ভেঙে না পড়ে। কোনও ছাত্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সরকার এই মর্মে গ্যারান্টি দিলেই আমি এখনই অনশন ভাঙব।' প্রায় ৬৫ জন সাংসদ তাঁকে অনশন তোলার অনুরোধ জানালেও ছাত্রদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত না করে আন্দোলন ছাড়তে তিনি নারাজ। সরকার যদি এই লিখিত আশ্বাস না দেয়, তবে অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অনড় তিনি।

উল্লেখ্য, ২৮ জুন থেকে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের অনশন করছেন সোনম ওয়াংচুক। তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে তাঁকে মেদান্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের আর্জি জানান। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত জানায়, পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯ ও ২১ অনুযায়ী তাঁর মৌলিক অধিকারের অংশ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe