...
...
Next Story

Rahul Gandhi's wishes to CM Vijay: 'আমি আপনার পাশে আছি!' CM বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে বিশেষ বার্তা রাহুলের

Rahul Gandhi's wishes to CM Vijay: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ১০৮ আসনে জিতেছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের নবগঠিত দল টিভিকে। যদিও তামিলভূমে সরকার গড়তে বিজয়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলে পরিণত হওয়ার দরকার ছিল। সেই কারণে তাঁর আরও ১০ আসনের দরকার ছিল।

Published on: Jun 22, 2026, 23:42:01 IST
Advertisement

Rahul Gandhi's wishes to CM Vijay: আজ, সোমবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সি বিজয় জোসেফের প্রথম জন্মদিন। ৫২ বছরে পা রাখলেন অভিনেতা। সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভক্ত, তাঁর সহকর্মী থেকে রাজনীতিবিদরা। সে তালিকায় রয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর ৫২ তম জন্মদিনে তাঁকে প্রাণভরে শুভেচ্ছা জানালেন তিনি। একই সঙ্গে রাহুল গান্ধী জানালেন, তামিলনাডুর উন্নতিতে তিনি সব সময় বিজয়ের পাশে আছেন।

CM বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে বিশেষ বার্তা রাহুল গান্ধীর
CM বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে বিশেষ বার্তা রাহুল গান্ধীর

একটি বিশেষ উপায়ে বিজয়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ। অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, 'তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়কে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি আপনার সুস্বাস্থ্য এবং সকল প্রচেষ্টায় সাফল্য কামনা করি। তামিল জনগণের অধিকার, মর্যাদা ও আকাঙ্ক্ষা রক্ষায় এবং রাজ্যের উন্নতির জন্য আমি আপনার পাশে আছি। আমরা একসঙ্গে কাজ করব।' এরপরেই পাল্টা পোস্টে রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বলেন, 'আপনার শুভকামনার জন্য অনেক ধন্যবাদ, মাননীয় বিরোধী দলনেতা আভারগাল। অর্থাৎ রাহুল গান্ধী ও বিজয়ের মধ্যে দারুণ সম্পর্কের বিষয়টি আরও একবার প্রমাণিত হল।

মাত্র তিন দিন আগেই রাহুল গান্ধীকে তাঁর ৫৬তম জন্মদিনে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, যা দুই নেতার মধ্যে সৌহার্দ্যর ছবিকেই তুলে ধরে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ১০৮ আসনে জিতেছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের নবগঠিত দল টিভিকে। যদিও তামিলভূমে সরকার গড়তে বিজয়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলে পরিণত হওয়ার দরকার ছিল। সেই কারণে তাঁর আরও ১০ আসনের দরকার ছিল। শেষমেষ রাহুল গান্ধীর কংগ্রেসের দেওয়া ৫ টি আসন এবং সিপিআইএম-এর বেশ কয়েকটি দলের সমর্থনের পর সর্ব মোট ১১ আসন মিলিয়ে বিজয়ের দল সংখ্যাগরিষ্ঠ দলে পরিণত হয় এবং মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন বিজয়। যদিও বিজয়ও কংগ্রেসের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান। কারণ রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য টিভিকে কংগ্রেসকে একটি আসন দিয়েছিল, যে আসনে কংগ্রেস প্রবীণ চক্রবর্তীকে নির্বাচিত করেছিল।

তামিলনাড়ু নির্বাচনের পর, কংগ্রেস পরাজিত ও তৎকালীন ক্ষমতায় থাকা দল ডিএমকে-র হাত ছেড়ে দিয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা বিজয়ের ‘টিভিকে’-কে সমর্থন জানায়। কংগ্রেসের এই পদক্ষেপের পর পরই ডিএমকে-র অন্দরমহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে। এমকে স্ট্যালিনের পুত্র তথা তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত ডিএমকে নেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন অভিযোগ করেন যে, কংগ্রেস ডিএমকে-র সঙ্গে 'বিশ্বাসঘাতকতা' করেছে। ডিএমকে-র মুখপত্র ‘মুরাসোলি’-তে সরাসরি দাবি করা হয়, কংগ্রেস লোকসভা নির্বাচনের সময় মিত্র দলগুলোর সমর্থন চাইলেও, বিধানসভা বা রাজ্য স্তরের নির্বাচনে প্রায়শই তাদের শিকড় দুর্বল করার কাজ করে। এর পরই নয়া দিল্লিতে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া’ জোটের একটি বৈঠক বয়কট করে ডিএমকে। এমনকী সংসদেও তারা বিরোধী জোটের আসন থেকে দূরে, আলাদা বসার জায়গা দাবি করেছে।

জাতীয় রাজনীতিতে এই ফাটল এমন এক সময়ে দেখা যাচ্ছে, যখন আঞ্চলিক দলগুলোর ভাঙনকে কাজে লাগিয়ে সংসদের নিম্নকক্ষে নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এবং মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা-র মতো আঞ্চলিক দলগুলোতে ভাঙন এর অন্যতম বড় উদাহরণ। এই রাজনৈতিক ডামাডোলের তাৎক্ষণিক প্রভাব হিসেবে নরেন্দ্র মোদী সরকার সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোগাড় করে ফেলতে পারে। অন্যদিকে, বিজয়ের কোনও সাংসদ না থাকলেও, নিজের দল গঠন করার আগে থেকেই তিনি কংগ্রেসের প্রতি এক ধরণের আনুগত্য দেখিয়ে এসেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিজেপি-র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রেখে একটি 'ধর্মনিরপেক্ষ সরকার'-এর প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা স্পষ্ট করেছেন। অবশ্য ‘ইন্ডিয়া’ জোটের অন্দরে রাজ্য ও কেন্দ্রের এই বৈপরীত্য বা দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। এর আগেও কেরলে বামপন্থীরা কেন্দ্রের স্তরে জোটের অংশ হলেও, রাজ্যে তারা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe