...
...
Next Story

Rajnath on Border Infrastructure: ভবিষ্যতের যুদ্ধের প্রস্তুতি! সীমান্তে পরিকাঠামো নিয়ে বড় বার্তা রাজনাথ সিংয়ের

বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের (BRO) স্ট্র্যাটেজিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার কনক্লেভে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, বর্তমানে সীমান্তে যে কৌশলগত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, তা আগামী এক থেকে দুই শতাব্দী ধরে ভারতের সভ্যতা ও উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করবে।

Published on: Jul 18, 2026, 11:38:12 IST
Advertisement

প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের যুগেও সীমান্ত এলাকার পরিকাঠামোর গুরুত্ব কোনওভাবেই কমবে না। বরং ভবিষ্যতের যুদ্ধ এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তা, সুড়ঙ্গ, বিমানঘাঁটি ও বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। গত বৃহস্পতিবার বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের (BRO) স্ট্র্যাটেজিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার কনক্লেভে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, বর্তমানে সীমান্তে যে কৌশলগত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, তা আগামী এক থেকে দুই শতাব্দী ধরে ভারতের সভ্যতা ও উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করবে।

রাজনাথ বলেন, বর্তমানে সীমান্তে যে কৌশলগত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, তা আগামী এক থেকে দুই শতাব্দী ধরে ভারতের সভ্যতা ও উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করবে। (PIB)
রাজনাথ বলেন, বর্তমানে সীমান্তে যে কৌশলগত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে, তা আগামী এক থেকে দুই শতাব্দী ধরে ভারতের সভ্যতা ও উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করবে। (PIB)

রাজনাথ সিং বলেন, যুদ্ধের ধরন দ্রুত বদলাচ্ছে। অত্যাধুনিক অস্ত্র, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত প্রযুক্তি যুদ্ধক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই সমস্ত আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের জন্য শক্তিশালী পরিকাঠামো অপরিহার্য। তাঁর কথায়, সামরিক শক্তি, নির্ভুল আক্রমণক্ষমতা এবং আধুনিক প্রযুক্তি যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করলেও সেই শক্তিকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে সীমান্ত এলাকায় উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকা জরুরি।

তিনি বিশেষভাবে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের কাজের প্রশংসা করে বলেন, বিশ্বের অন্যতম কঠিন ভৌগোলিক অঞ্চলে যে গতিতে সংস্থা রাস্তা ও অন্যান্য প্রকল্প নির্মাণ করছে, তা সত্যিই নজিরবিহীন। তাঁর মতে, এই সাফল্য মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়েরই প্রতিফলন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাম্প্রতিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পেরও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, লাদাখের উমলিং লা এবং অরুণাচল প্রদেশের সেলা টানেলের মতো প্রকল্প সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত অনেক সহজ করে দিয়েছে। এর ফলে শুধু সাধারণ মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত হয়নি, প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর দ্রুত মোতায়েন এবং রসদ পৌঁছে দেওয়াও অনেক বেশি সহজ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একসময় যেসব সীমান্তবর্তী গ্রামকে দেশের ‘শেষ গ্রাম’ বলা হতো, এখন ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে সেগুলিকে দেশের ‘প্রথম গ্রাম’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু রাস্তা বা বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পর্যটন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে সীমান্ত অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রাজনাথ সিংয়ের মতে, বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় যে রাস্তা, সেতু, সুড়ঙ্গ ও অন্যান্য কৌশলগত পরিকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে, তা শুধু আজকের প্রয়োজন মেটানোর জন্য নয়। এগুলি আগামী এক থেকে দুই শতাব্দী ধরে দেশের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক অগ্রগতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

এই কনক্লেভে দেশের শীর্ষস্থানীয় পরিকাঠামো নির্মাণকারী সংস্থা, যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ এবং শিল্প প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। সেখানে সীমান্ত এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নত নির্মাণ কৌশল এবং ভবিষ্যতের কৌশলগত পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সীমান্ত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা শুধু সামরিক প্রয়োজন নয়, বরং ভারতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার অন্যতম প্রধান শর্ত।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks