AAP MPs join BJP: আম আদমি পার্টির অন্দরে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবার আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়েছে। দলের অন্যতম স্তম্ভ রাঘব চাড্ডার নেতৃত্বে রাজ্যসভার ৭ জন সাংসদ আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদ হারানো থেকে শুরু করে দলের অভ্যন্তরীণ একাধিপত্য-সব মিলিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে কার্যত দিল্লির রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিয়েছেন রাঘব চাড্ডা। তবে আগে থেকেই রাজ্যসভার দলীয় সাংসদদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষের আঁচ টের পেয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাই ক্ষোভ প্রশমনেও উদ্যোগী হয়েছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না।

এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, দলের একাধিক সাংসদ বিজেপিতে যেতে পারেন বলে আঁচ করে তাঁদের সঙ্গে শুক্রবার বিকেলে নিজের বাসভবনে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, আম আদমি পার্টির শীর্ষ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কিন্তু সেই বৈঠক আর হয়নি। তার আগেই শুক্রবার দুপুরেই রাঘব চাড্ডা-সহ সাত রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করেন বলে আপের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করেছে এনডিটিভি। রাঘব চাড্ডার সঙ্গে আপ-এর যে রাজ্যসভা সাংসদেরা শুক্রবার বিজেপিতে যোগদানের ঘোষণা করেছেন তাঁরা হলেন- প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, দলের অন্যতম সম্পাদক সন্দীপ পাঠক, তিন শিল্পপতি রাজেন্দ্র গুপ্তা, অশোক মিত্তল ও বিক্রম সাহনে এবং দিল্লির নেত্রী স্বাতী মালিওয়াল। বিজেপি এই ঘটনাকে ২০২৭ সালের পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে।
সূত্রের খবর, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদদের বলেছিলেন,‘তোমাদের মনে যদি কোনও আশঙ্কা থাকে, তবে তোমরা তোমাদের পদ থেকে ইস্তফা দাও। পরবর্তী মেয়াদে আবার তোমাদের টিকিট দেওয়া হবে।' তিনি বিক্ষুদ্ধদের পাঁচ জনকে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভায় প্রার্থী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আর এ সব নিয়ে আলোচনার জন্যই শুক্রবার কেজরিওয়ালের বাড়িতে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ওই সাংসদদের অনেককে নিয়ে। কিন্তু তাঁর সেই প্রতিশ্রুতিতে কাজ হয়নি। সেই বৈঠক হওয়ার আগেই সাংসদরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। সম্প্রতিই আপ সরকারিভাবে রাজ্যসভা সচিবালয়কে চিঠি দিয়ে রাঘব চাড্ডাকে উপনেতার পদ থেকে সরিয়ে অশোক মিত্তলকে নিয়োগ করার কথা জানায়। সেদিন সন্ধ্যার মধ্যেই রাজ্যসভার ওয়েবসাইটেও এই বদল নথিভুক্ত হয়ে যায়। তারপর থেকেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হ়য়েছিল রাঘব চাড্ডার। সূত্রের খবর, এই ঘটনার পরেই রাঘব চাড্ডা রাজ্যসভার সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বৈঠকে বসেন। এরমধ্যেই মাত্র ১৫ দিনের মাথায় অশোক মিত্তলের দলত্যাগ আপের জন্য আরও বড় ধাক্কা হয়ে এল।
বস্তুত, অরবিন্দ কেজরিওয়াল অশোক মিত্তলের উপর এতটাই ভরসা করতেন যে দিল্লিতে হারের পর সরকারি বাংলো থেকে বেরিয়ে তাঁর নামে বরাদ্দ সরকারি বাংলোতেই ওঠেন। অশোকের বিজেপিতে যোগদানের কয়েক ঘণ্টা আগে পর্যন্ত তাঁর বাংলোতেই ছিলেন কেজরিওয়াল। শুক্রবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং সরাসরি অভিযোগ করেন, ইডি-সিবিআইকে হাতিয়ার বানিয়ে সাত সাংসদকে ভয় দেখানো হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বিজেপিতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর দাবি, 'ভোটে না পেরে বিজেপি এখন কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে অপারেশন লোটাস চালাচ্ছে। পাঞ্জাব সরকারকে টার্গেট করা হচ্ছে।' এদিকে নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় রাঘব চাড্ডা বলেন, '১৫ বছরের যুবক বয়স আপকে দিয়েছি। রক্ত-ঘাম দিয়ে এই দল গড়েছি। কিন্তু দল এখন নিজের মূলনীতি, নৈতিকতা ও আদর্শ থেকে সরে গেছে। দেশের স্বার্থ নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থে চলছে। তাই আমার মনে হচ্ছিল, সঠিক মানুষ হয়েও ভুল দলে আছি।' আপের ৭ সাংসদের দলত্যাগে রাজ্যসভার অঙ্ক পুরো বদলে গেল। রাঘব চাড্ডার মতো বড় মুখের চলে যাওয়া শুধু রাজনৈতিক নয়, প্রতীকী দিক থেকেও আপের জন্য বড় ধাক্কা।
{{/usCountry}}বস্তুত, অরবিন্দ কেজরিওয়াল অশোক মিত্তলের উপর এতটাই ভরসা করতেন যে দিল্লিতে হারের পর সরকারি বাংলো থেকে বেরিয়ে তাঁর নামে বরাদ্দ সরকারি বাংলোতেই ওঠেন। অশোকের বিজেপিতে যোগদানের কয়েক ঘণ্টা আগে পর্যন্ত তাঁর বাংলোতেই ছিলেন কেজরিওয়াল। শুক্রবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং সরাসরি অভিযোগ করেন, ইডি-সিবিআইকে হাতিয়ার বানিয়ে সাত সাংসদকে ভয় দেখানো হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বিজেপিতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর দাবি, 'ভোটে না পেরে বিজেপি এখন কেন্দ্রীয় সংস্থা দিয়ে অপারেশন লোটাস চালাচ্ছে। পাঞ্জাব সরকারকে টার্গেট করা হচ্ছে।' এদিকে নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যায় রাঘব চাড্ডা বলেন, '১৫ বছরের যুবক বয়স আপকে দিয়েছি। রক্ত-ঘাম দিয়ে এই দল গড়েছি। কিন্তু দল এখন নিজের মূলনীতি, নৈতিকতা ও আদর্শ থেকে সরে গেছে। দেশের স্বার্থ নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থে চলছে। তাই আমার মনে হচ্ছিল, সঠিক মানুষ হয়েও ভুল দলে আছি।' আপের ৭ সাংসদের দলত্যাগে রাজ্যসভার অঙ্ক পুরো বদলে গেল। রাঘব চাড্ডার মতো বড় মুখের চলে যাওয়া শুধু রাজনৈতিক নয়, প্রতীকী দিক থেকেও আপের জন্য বড় ধাক্কা।
{{/usCountry}}