জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের রাজ্য তদন্ত সংস্থা (এসআইএ) বৃহস্পতিবার দায়ের করা এক চার্জশিটে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর লালকেল্লার বিস্ফোরণের পিছনে থাকা হোয়াইট কলার সন্ত্রাসী মডিউল জইশ-ই-মহম্মদের ছদ্মবেশে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দকে (এজিইউএইচ) পুনরুজ্জীবিত করার ষড়যন্ত্র করছিল। এসআইএ-র এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গত অক্টোবরে শ্রীনগরের নওগামে উস্কানিমূলক ও হুমকিমূলক পোস্টার লাগানোর অভিযোগে চারজন চিকিৎসকসহ দশজনের নাম চার্জশিট দায়ের করা হয়েছে। এদিকে লালকেল্লার সামনে মূল বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)।

এসআইএ বলেছে, দেশবিরোধী পোস্টারে সেঁটে আতঙ্ক ছড়ানো এবং ভারতের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করাই ছিল জঙ্গিদের আসল উদ্দেশ্য। তদন্তে দেখা গেছে, দেশব্যাপী মৌলবাদ ছড়িয়ে দিতে কাজ করছিল গোপন মডিউলটি। এজিইউএইচকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল তারা। এসআইএ বলে, 'তদন্তে আরও প্রমাণিত হয়েছে যে অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে জইশ-ই-মহম্মদের নাম ব্যবহার করে। জইশের কুখ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মনে প্রভাব তৈরির চেষ্টা করেছিল তারা। আর গোপনে এজিইউএইচ-এর পুনর্গঠনের কাজ করে চলছিল তারা। নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে বিভ্রান্ত করতেই এই পন্থা গ্রহণ করেছিল জঙ্গিরা।
এসআইএ জানিয়েছে, তারা ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল থেকে মডিউলটি ট্রাইসিটোন ট্রাইপারক্সাইডের (টিএটিপি) মতো বিস্ফোরক পেয়েছিল। চার্জশিট অনুযায়ী, এই মামলায় আসামিরা হল আরিফ নিসার দার, ইয়াসির উল আশরাফ ভাট, মাকসুদ আহমেদ দার, ইরফান আহমেদ ওয়াগে, জমির আহমেদ আহঙ্গার, তুফায়েল আহমেদ ভাট এবং চিকিৎসক মুজামিল শাকিল গানাই, আদিল আহমেদ রাথার, শাহিন সঈদ এবং উমর উন নবি। এনআইএ এসআইএ চার্জশিটে নাম থাকা ডাক্তার সহ ১১ জনকে গ্রেফতার হয়েছে।'