...
...
Next Story

৫৪৩৫ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, হংকং যোগ! কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি, গ্রেফতার ‘রিল স্টার’

Social media influencer arrested: পুলিশ সূত্রের খবর, হংকংয়ের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) ব্যবহার করত অভিযুক্ত রোহন যাদব। ভারত থেকে কৌশলে টাকা হাতিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রায় রূপান্তর ও পাচার করার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন পেত এই ইনফ্লুয়েন্সার।

Published on: Aug 13, 2026, 16:39:09 IST
Advertisement

Social media influencer arrested: কোটি কোটি টাকার সাইবার জালিয়াতির অভিযোগে মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে গ্রেফতার করা হলো এক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে। কয়েক মাস আগে এক প্রবীণ নাগরিককে 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট'-এর ভয় দেখিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতানোর ঘটনার মাস্টার মাইন্ড ওই যুবক।

কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি, গ্রেফতার ‘রিল স্টার’ (সৌজন্যে টুইটার)
কোটি কোটি টাকার জালিয়াতি, গ্রেফতার ‘রিল স্টার’ (সৌজন্যে টুইটার)

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইনফ্লুয়েন্সারের নাম রোহন যাদব (Rohan Jadha)। পুলিশ তাঁর সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমগুলো বাজেয়াপ্ত করা ও ফ্রিজ করে দেওয়ার পর বাধ্য হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করে রোহন। সূত্রের খবর, জালিয়াতির এই মূল ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। একদল প্রতারক নিজেদের সিবিআই (CBI) আধিকারিক পরিচয়ে ওই প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে। একটি কাল্পনিক মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট'-এর ভয় দেখানো শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপের হাত থেকে বাঁচার অজুহাতে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ১০ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করিয়ে নেয় প্রতারকরা।

প্ৰতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরেই তৎক্ষণাৎ পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই প্রবীণ নাগরিক। জালিয়াতি চক্রের এক সদস্য এটিএম (ATM) থেকে টাকা তোলার পরেই তার সূত্র ধরে দ্রুত অভিযুক্তদের নাগাল পায় পুনে পুলিশ। এই ঘটনায় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে-হর্ষদ সুভাষ ধান্তোলে, সমর্থ সুরেশ দেশমুখ এবং অমর শিবাজী আতারগি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই মূল চক্রান্ত প্রকাশ্যে আসে। জেরায় হর্ষদ পুলিশকে জানায়, এটিএম থেকে তোলা সমস্ত টাকা সে পলাতক ইনফ্লুয়েন্সার রোহন যাদবের হাতে তুলে দিয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মূল অভিযুক্ত রোহন যাদব ছত্রপতি সম্ভাজিনগরের বাসিন্দা। প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া মোট ১০ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা এক বা দুটি নয়, দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সর্বমোট ৫,৪৩৬টি পৃথক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছিল! শুধু তা-ই নয়, এই বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে হংকংয়ের একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত রোহন এবং এনক্রিপ্টেড ভিডিও কলে নিয়মিত তাদের সঙ্গে কথা বলত বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe