শিখস ফর জাস্টিস সমেত একাধিক খলিস্তানি গোষ্ঠী, উত্তর ভারতের জেলগুলিতে এবার টার্গেট বাড়াচ্ছে। গোয়েন্দাদের তথ্য তুলে ধরে টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট বলছে, উত্তর ভারতের জেলগুলির বন্দিদের মধ্যে থেকে নিজেদের অপারেটিভ বেছে নেওয়ার কাজ চালাচ্ছে খলিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলি। উল্লেখ্য, সামনেই আসছে পঞ্জাবে বিধানসভা ভোট। তার আগে এই তথ্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সদ্য এক খলিস্তানি অপারেটিভ ধরা পড়ে গোয়েন্দাদের জালে। জেরার মুখে সে জানিয়েছে, পঞ্জাবের পাতিয়ালা জেলে বসে সে খলিস্তানপন্থী গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের ফোন নম্বর পেয়ে যায়। উল্লেখ্য, এই পান্নুন থাকে দেশের বাইরে। বহু সময়ই ভারত বিরোধী সুর, হুঁশিয়ারি এসেছে পান্নুনের তরফে। জেল থেকে খলিস্তানি অপারেটিভ নিয়োগের এই বিষয়টি সামনে আসতেই গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে একাধিক বিষয়, তারমধ্যে রয়েছে, কোথা থেকে আসছে টাকার জোগাড়, জেল থেকে অপারেটিভ নিয়োগের নেটওয়ার্কে কারা কারা রয়েছে, এই সমস্ত দিক। এই ফান্ডের জোগাড়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে গোয়েন্দাদের নজরে আসছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-র তরফে টাকা জোগাড় করে ফান্ডিংএর দিকটি কতটা সক্রিয় রয়েছে, সেই বিষয়টি। এছাড়াও অস্ত্রসস্ত্র সমেত বিভিন্ন জিনিসপত্র হাতে হাতে চালানের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এযাবৎকালে বহুবারই ড্রোন দিয়ে অস্ত্র পাচারের বিষয়টি নজরে রেখেছে গোয়েন্দারা।
এদিকে, শিখস ফর জাস্টিস গোষ্ঠীর সদস্য প্রীতপাল সিং সদ্য গ্রেফতার হয়েছে। সংগঠনের সমর্থনে দিল্লি ও পঞ্জাবে কয়েকটি গ্রাফিতির সূত্রে তাঁর গ্রেফতারি। জানা গিয়েছে, সেই গ্রাফিতির ভিডিয়ো করে প্রীতপাল ভিডিয়ো পাঠায় পান্নুনকে। জানা যাচ্ছে, এই প্রীতপাল যখন জেলে ছিল, তখন তার হাতে আসে গুরপতবন্ত সিং পান্নুনের ফোন নম্বর। তাকে সেই ফোন নম্বর দেওয়া হয়, যাতে প্রীতপাল ভবিষ্যতে বাকি কাজ সংগঠনের জন্য করতে পারে। ২০২৬ সালে জেল থেকে ছাড়া পায় প্রীতপাল। এরপর সে পান্নুনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখে। প্রীতপালের হাতে নিঃসাড়ে ঢুকে যায় দেড় লাখ টাকা। এই টাকা, ফরিদকোট-অমৃতকসর হাইওয়ের কোনও গোপন এলাকা দিয়ে আসে বলে খবর। তখনই প্রীতপাল জেলে তার অপর এক সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ করে দিল্লির এক ‘অ্যাসাইনমেন্টের’ জন্য।
মার্কিন দূতের স্বর্ণমন্দির সফর ও খলিস্তানপন্থী স্লোগান-
{{/usCountry}}মার্কিন দূতের স্বর্ণমন্দির সফর ও খলিস্তানপন্থী স্লোগান-
{{/usCountry}}এদিকে, সদ্য ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূত সার্জিও গোর সফর করেন পঞ্জাবের স্বর্ণমন্দিরে। সেখানে তাঁকে সাদরে গ্রহণ করা হয়। তবে সার্জিও গোরের সফরের সময়ই সেখানে ওঠে খলিস্তানপন্থী স্লোগান।