পাকিস্তানের প্রতিবেশি ইরান ও ট্রাম্পের আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধের মধ্যস্থতা করতে ঢাকঢোল পিটিয়ে বিপুল আয়োজন করে গত সপ্তাহান্তেই নাম কেনার চেষ্টায় ব্যস্ত ছিল পাকিস্তান! এই যুদ্ধের মধ্যস্থতার জন্য আলোচনার আসর বসেছিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে। এবার পাকিস্তান সেই হোটেলের বিল নিয়ে গোটা বিশ্বের সামনে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে! এমনই তথ্য উঠে আসছে রিপোর্টে।

মধ্যস্থতার আয়োজন তো হয়েছিল, তবে মধ্যস্থতার ফলাফল, শূন্য! একদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স সহ বাকিরা অন্যদিকে, ইরানের সংসদের স্পিকার গালিবাফ, বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির মতো ব্যক্তিত্বরা ছিলেন আলোচনার টেবিলে। ১০ এপ্রিল, ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে বসেছিল আসর। তবে হম্বিতন্বি করে পাকিস্তান, এই মধ্যস্থতার আলোচনা আয়োজন করলেও, এর ফলাফল কিছুই আসেনি। আলোচনা ঘিরে কার্যত ওই সময় স্তব্ধ করে দেওয়া হয় ইসলামাবাদকে! এদিকে, হোটেল সেরেনার বিল এখনও পর্যন্ত মেটায়নি পাকিস্তানি সরকার। এমনই রিপোর্ট উঠে এসেছে নিউজ ১৮র প্রতিবেদনে। এই হোটেলের বিল বাকি-কাণ্ডে পাকিস্তানের আর্থিক অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা সূত্র অনুসারে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, ‘আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কে’র সাথে যুক্ত হোটেলটির মালিক হস্তক্ষেপ করতে এবং খরচ মেটাতে বাধ্য হন। এরপর থেকে এই ঘটনাটি কূটনৈতিক ও নীতি নির্ধারক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা একটি কৌশলগত বৈদেশিক নীতি হিসেবে পরিকল্পিত বিষয়টিকে জনসংযোগের ক্ষেত্রে একটি বড় ধাক্কায় পরিণত করেছে।
রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তান এই আলোচনার আয়োজন নিয়ে যেভাবে উঠে পড়ে নিজের কূটনৈতিক ক্ষমতা জাহির করতে ব্যস্ত ছিল, তারপর তার হোটেলের খরচ না মেটানোর ঘটনা, ইসলামাবাদের মুখ কার্যত ‘চুন’ করে ছেড়েছে! রিপোর্টে এক গোয়েন্দা সূত্রকে উল্লেখ করে, তাঁর বক্তব্য বলা হয়েছে। সূত্র বলছে, ‘একটি বড় আন্তর্জাতিক ঘটনা চলাকালীন এই মৌলিক ব্যর্থতা এমনকি দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় নির্বাহে রাষ্ট্রের অক্ষমতাকে উন্মোচিত করে’ পাকিস্তানের এই ঘটনা।
{{/usCountry}}রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তান এই আলোচনার আয়োজন নিয়ে যেভাবে উঠে পড়ে নিজের কূটনৈতিক ক্ষমতা জাহির করতে ব্যস্ত ছিল, তারপর তার হোটেলের খরচ না মেটানোর ঘটনা, ইসলামাবাদের মুখ কার্যত ‘চুন’ করে ছেড়েছে! রিপোর্টে এক গোয়েন্দা সূত্রকে উল্লেখ করে, তাঁর বক্তব্য বলা হয়েছে। সূত্র বলছে, ‘একটি বড় আন্তর্জাতিক ঘটনা চলাকালীন এই মৌলিক ব্যর্থতা এমনকি দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় নির্বাহে রাষ্ট্রের অক্ষমতাকে উন্মোচিত করে’ পাকিস্তানের এই ঘটনা।
{{/usCountry}}এদিকে, নিউ ইয়র্ক টাইমস ও এপি দুই সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টেই বলা হয়েছে, যে চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবারও সম্ভবত ইরান ও আমেরিকা আলোচনায় বসতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে আলোচনা ইসলামাবাদে নাও হতে পারে বলে বেশ কিছু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে। এপির রিপোর্ট বলছে, এক্ষেত্রে বিকল্প স্থান হতে পারে জেনিভা। তবে দুই যুদ্ধরত দেশের তরফে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।