...
...
Next Story

Pakistan Latest: লাহোরের বুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে শোনা গেল সংস্কৃত! কী ঘটছে শাহবাজের দেশে? বলছে রিপোর্ট

অধ্যাপক রশিদ বলছেন,' কেন আমরা এটি শিখব না? এটি এমন একটি ভাষা যা এই সমগ্র অঞ্চলকে আবদ্ধ করে। পাণিনির গ্রাম এখানে ছিল। সিন্ধু উপত্যকার সময় এখানে অনেক কিছু লেখা হয়েছিল।'

Published on: Dec 12, 2025, 19:23:05 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

পাকিস্তানের অন্দরে লাহোরের বুকে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে সংস্কৃত শ্লোক সহ ‘মহাভারত’এর নানান অংশ নিয়ে চলেছে পড়াশুনো। এমনই দাবি করে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে 'দ্য ট্রিবিউন'। সেখানে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের অধ্যাপক শাহিদ রাশিদের কথা। রিপোর্ট বলছে, তিনি ইঞ্জিনিয়ার থেকে সোশিওলজির অধ্যাপক হয়ে উঠেছেন। আর তাঁর হাত ধরেই দেশভাগের পর পাকিস্তানে প্রথমবার এমন এক ঘটনা ঘটছে পাকিস্তানে।

লাহোরের বুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে সংস্কৃতের পাঠ! কী ঘটছে শাহবাজের দেশে?
লাহোরের বুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে সংস্কৃতের পাঠ! কী ঘটছে শাহবাজের দেশে?

প্রথমে ওয়ার্কশপ থেকে শুরু হয়েছিল অধ্যাপক রশিদের এই উদ্যোগ। এরপর তা পরে পুরোদমে একটি কোর্স হিসাবে উঠে আসতে থাকে। ‘মহাভারত’র টিভি সিরিজের ‘হ্যায় কথা সংগ্রাম কি’র উর্দু অনুবাদও পড়ুয়াদের সামনে এনে দিয়েছেন এই অধ্যাপক। এই যাবতীয় ঘটনা ঘটছে ‘লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সায়ান্স’-এ। ঘটনাকে অনেকেই বর্ণনা করছেন ‘লাহোরে সংস্কৃতের রেনেসাঁ’ হিসাবে। অধ্যাপক রশিদ বলছেন,' কেন আমরা এটি শিখব না? এটি এমন একটি ভাষা যা এই সমগ্র অঞ্চলকে আবদ্ধ করে। পাণিনির গ্রাম এখানে ছিল। সিন্ধু উপত্যকার সময় এখানে অনেক কিছু লেখা হয়েছিল। আমাদের এটিকে গ্রহণ করতে হবে। এটি আমাদেরও… এটি কোনও একটি ধর্মের সাথে আবদ্ধ নয়।'

পাকিস্তানের ‘ফরমান ক্রিস্টিয়ান কলেজে’র সোশিওলজি পড়ান রশিদ। তাঁর উদ্যোগেই লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ম্যানেজমেন্ট কলেজে এই নয়া অধ্যায় দেখা দিয়েছে। সংস্কৃতের পণ্ডিত তথা ব্যকরণবিদ পাণিনির গ্রাম ছিল তৎকালীন গান্ধারে, যা বর্তমানে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া। এমনই দাবি রিপোর্টের। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরমানি সেন্টারের পরিচালক ডঃ আলি উসমান কাসমি জোর দিয়ে বলেন যে পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত নথির একটি বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে, কিন্তু কয়েক দশক ধরে শিক্ষাবিদদের দ্বারা এটি মূলত অস্পৃশ্য ছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe