বহুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ডিসেম্বর মাসে যাচ্ছেন বাংলাদেশে। শোনা গিয়েছিল, তার আগেই ভারতের সফরে আসতে পারেন তারেক রহমান। তবে, আমন্ত্রণের পরও ব্রিকসের সময়কালে সেপ্টেম্বর মাসে ভারত সফরে আসেননি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঝে, নভেম্বর মাসে তাঁর ভারত সফর নিয়ে জল্পনাও ছিল। তবে তা নিয়ে নিশ্চিত তথ্য আসেনি। এবার এনডিটিভির এক রিপোর্ট দাবি করছে, তারেক রহমান সম্ভবত, নভেম্বরেই ভারতে আসতে পারেন। শেখ হাসিনার ঘোষিত বাংলাদেশ যাত্রার আগেই ভারতে পা রাখতে পারেন তারেক।

রিপোর্ট বলছে, তারেক রহমানের ভারত সফর নির্ভর করছে, গঙ্গা জলচুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গঙ্গা জলচুক্তি ঘিরে পুনঃআলোচনাকে তারেক রহমান সরকারের বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে আগ্রহী। চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশের জলসম্পদ মন্ত্রী শহিদুদ্দিন চৌধুরী আনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ১২ ডিসেম্বরের আগেই ভারতের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। প্রসঙ্গত, গঙ্গা জল বণ্টন চুক্তি হল ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ৩০ বছর মেয়াদী দ্বিপাক্ষিক চুক্তি, যা ১৯৯৬ সালের ১২ই ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়া এবং শেখ হাসিনা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি থেকে ৩১শে মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা ব্যারেজে গঙ্গা নদীর জল বণ্টন নিয়ন্ত্রিত হয়। এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, রহমানকে দেওয়া ভারতের আমন্ত্রণ এখনও কার্যকর রয়েছে এবং এই সফরে তাড়াহুড়ো করার কোনো প্রয়োজন নেই।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মসনদে বসেই প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে চিনকে বেছে নেন তারেক রহমান। পরে যান, আমেরিকায়। সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে না আসলেও, তিনি পৌঁছেছিলেন মার্কিন মুলুকে। এরপর তিনি সদ্য যাচ্ছেন জাপানের সফরে। আগে জানা গিয়েছিল, মক্কা চুক্তিতে আগ্রহী বাংলাদেশ, এবং তার জেরেই সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সৌদি ও পাকিস্তানের বন্ধু তুরস্ক সফরেও নভেম্বরে যেতে পারেন। তবে সৌদিতে সদ্য ২ বাংলাদেশির শিরোচ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় গোটা বাংলাদেশে ধীরে ধীরে সৌদির বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের সৌদি সফর ঘিরে কী উঠে আসে, সেদিকে তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মসনদে বসেই প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে চিনকে বেছে নেন তারেক রহমান। পরে যান, আমেরিকায়। সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে না আসলেও, তিনি পৌঁছেছিলেন মার্কিন মুলুকে। এরপর তিনি সদ্য যাচ্ছেন জাপানের সফরে। আগে জানা গিয়েছিল, মক্কা চুক্তিতে আগ্রহী বাংলাদেশ, এবং তার জেরেই সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সৌদি ও পাকিস্তানের বন্ধু তুরস্ক সফরেও নভেম্বরে যেতে পারেন। তবে সৌদিতে সদ্য ২ বাংলাদেশির শিরোচ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় গোটা বাংলাদেশে ধীরে ধীরে সৌদির বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের সৌদি সফর ঘিরে কী উঠে আসে, সেদিকে তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।
{{/usCountry}}তবে তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে কোনও নিশ্চিত সরকারি তথ্য এখনও আসেনি। এর আগে, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে এই সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব। আমরা একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। তবে তা করতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে।’ তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানান, উপযুক্ত সময় হলে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর (বাংলাদেশের) ভারত সফর হবে। হুমায়ুন কবির বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি ও সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সফরের সময় নির্ধারণ করা হবে।