সদ্য এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও হিসাবে যোগ দিয়েছেন টেওল্ডে গেব্রেমারিয়াম। তবে ইন্ডিয়া টুডে-র রিপোর্ট বলছে, তিনি টাটাদের এার ইন্ডিয়ায় যোগ দেওয়ার আগে, পাকিস্তানের পিআইএ বিমান পরিষেবা সংস্থায় শীর্ষ পদে প্রায় যোগ দিয়ে দিচ্ছিলেন, সেই জায়গা থেকে ভারতের টাটা গোষ্ঠীর এয়ার ইন্ডিয়ায় যোগ দেন টেওল্ডে।
ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের প্রাক্তন প্রধান টেওয়ল্ডে গেব্রেমারিয়াম,যাঁকে বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করেছে সংস্থা, এর আগে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) দায়িত্ব নেওয়ার জন্যও তাঁর নাম আলোচিত হয়েছিল। জানা গিয়েছে যে, তাঁকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে ঘোষণা করার আগে পাকিস্তানের বিমান পরিষেবা সম্পর্কিত ওই সংস্থাটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্রের অপেক্ষায় ছিল। আর প্রায় কয়েক সপ্তাহ কাটলেই তিনি পাকিস্তানের ওই তাবড় বিমান পরিষেবা সংস্থায় যোগ দিয়ে দিতেন, তবে তার আগেই ভারতের টাটা গোষ্ঠী তাঁকে নিয়োগ করে নেয়।
জুলাই মাসে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, বেসরকারিকরণ-পরবর্তী সময়ে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য পিআইএ বিমান পরিবহন খাতের এক অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে বেছে নিয়েছে। তবে এই নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে কখনওই ঘোষণা করা হয়নি। রিপোর্ট বলছে, আরিফ হাবিব গ্রুপের নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব হস্তান্তরের পর, সংস্থাটির প্রধান হিসেবে তেওল্ডে পছন্দের প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছিলেন। তাঁর নিয়োগ জনসমক্ষে আনতে পিআইএ অপেক্ষা করছিল একটি নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্রের। আর সেই সময়ই ফারাক গড়ে দিয়েছে! আর সেই জায়গা থেকে তাড়াতাড়ি নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। এয়ার ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরন বলেছেন, বিশ্বের অন্যতম দক্ষ ও লাভজনক এয়ারলাইন গ্রুপ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে টেওল্ডের যে সাফল্য রয়েছে, তা তাঁকে এয়ার ইন্ডিয়ার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অনন্যভাবে উপযুক্ত করে তুলেছে। টেওল্ডে এর গে, ২০১১ সাল থেকে ২০২২ সালের মার্চ মাসে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স গ্রুপের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রিপোর্ট বলছে, তাঁর কার্যকালে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স আফ্রিকার বৃহত্তম এয়ারলাইন গ্রুপে পরিণত হয়। এই সময় সংস্থাটি তাদের বিমানবহর, আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে এবং আদ্দিস আবাবাকে আফ্রিকার অন্যতম প্রধান এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।