পাকিস্তানের প্রতিবেশি ইরান এই মুহূর্তে ভয়াবহ যুদ্ধের সম্মুখীন। ইতিমধ্যেই ইরানে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার জেরে এই যুদ্ধে মৃত্যু মিছিল হাজারের ঘরে!এমনই দাবি বহু রিপোর্টের। এদিকে, ইরানের সীমান্ত লাগোয়া পাকিস্তানও যুদ্ধে লিপ্ত। তারা বাইরে, আফগানিস্তানের তালিবানের সঙ্গে লড়ছে, ঘরে পাকিস্তানকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে বালোচ যোদ্ধারা। সদ্য বালোচিস্তানে দুুই নিখোঁজকে ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। তারপরই তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, বালোচিস্তানের পাঞ্চগুড় এলাকায়।
কিছুদিন আগেই বালোচিস্তানের বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিএলএ দাবি করেছিল, তারা যে ৭ পাকিস্তানি সৈন্যকে বন্দি করে রেখেছিল, তাদের নিকেশ করেছে বালোচ গোষ্ঠী। এর আগে, এক ভিডিয়ো প্রকাশ করে এই গোষ্ঠী। বিএলএর দাবি অনুযায়ী, ভিডিয়োয় থাকা ৭ সদস্য, যাঁরা পাকিস্তানি সেনার উর্দিতে ছিলেন, তাঁরা পাকিস্তানি সেনা সদস্য। এদিকে, পাকিস্তান সেই দাবি খারিজ করে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৭ পাকিস্তানি সেনাকে বালোচরা বন্দি করে বলে দাবি করে। তারপর ১০ জনকে তারা ছেড়ে দেয়। বালোচদের দাবি, ওই ১০ জন জন্মগতভাবে বালোচ ছিলেন। তাই তাঁদের ছাড়া হয়। কয়েকদিন আগেই বালোচ বিদ্রোহী গোষ্ঠী বিএলএ জানিয়েছে, তারা 'বালোচ ন্যাশনাল কোর্টে' ওই পাকিস্তানি সৈন্যদের তোলে। তারপর কোর্টেই ওই ৭ পাকিস্তানি সৈন্যকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়। যার জেরে ওই ৭ পাকিস্তানি সৈন্যকে খুন করা হয়। বিএলএর দাবি ছিল, ওই সৈন্যদের ছাড়ার ব্যাপাকে পাকিস্তানি সেনা খুব একটা আগ্রহী ছিল না।
এদিকে, বিএলএর ওই ৭ পাক সৈন্যকে হত্যার দাবির পরই আসে, বালোচিস্তানে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর। খবর প্রকাশিত হয়েছে বালোচিস্তান পোস্টে। মৃতদের মধ্যে একজন ১৭ বছরের পড়ুয়া ইয়াহায়া বালোচ। সে খুদাবাদান এলাকার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের পাঞ্জগুড়ে পাকিস্তান ফ্রন্টিয়ার কর্পসের ক্যাম্পের কাছে মিলেছে দেহ। বালোচ ইকাজেতি কমিটি জানিয়েছে, একদল সশস্ত্র বাহিনী ওই নাবালককে আটক করে নিয়ে যায়। তারপরই আসে তাঁর মতৃদেহ। প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের বালোচিস্তানে গুম-খুন কি অব্যাহত। বালোচ ইকাজেতি কমিটি বলছে, আরও এক ইয়াহায়া বালোচ নামের যুবককে গত ১ অক্টোবর সশস্ত্র একদল ব্যক্তি তুলে নিয়ে যায় ছিটকান এলাকা থেকে। সদ্য ৩ মার্চ তাঁরও মৃততেহ উদ্ধার হয়। এক্ষেত্রে ইয়াহায়া নাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই নামের কাউকেই কি খোঁজা চলছে পাকিস্তানের অন্দরে? নয়তো কেন একই নামের দুই বালোচ ব্যক্তির খোঁচ চলবে বা খুন হবে? রহস্য, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
{{/usCountry}}এদিকে, বিএলএর ওই ৭ পাক সৈন্যকে হত্যার দাবির পরই আসে, বালোচিস্তানে মৃতদেহ উদ্ধারের খবর। খবর প্রকাশিত হয়েছে বালোচিস্তান পোস্টে। মৃতদের মধ্যে একজন ১৭ বছরের পড়ুয়া ইয়াহায়া বালোচ। সে খুদাবাদান এলাকার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের পাঞ্জগুড়ে পাকিস্তান ফ্রন্টিয়ার কর্পসের ক্যাম্পের কাছে মিলেছে দেহ। বালোচ ইকাজেতি কমিটি জানিয়েছে, একদল সশস্ত্র বাহিনী ওই নাবালককে আটক করে নিয়ে যায়। তারপরই আসে তাঁর মতৃদেহ। প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের বালোচিস্তানে গুম-খুন কি অব্যাহত। বালোচ ইকাজেতি কমিটি বলছে, আরও এক ইয়াহায়া বালোচ নামের যুবককে গত ১ অক্টোবর সশস্ত্র একদল ব্যক্তি তুলে নিয়ে যায় ছিটকান এলাকা থেকে। সদ্য ৩ মার্চ তাঁরও মৃততেহ উদ্ধার হয়। এক্ষেত্রে ইয়াহায়া নাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এই নামের কাউকেই কি খোঁজা চলছে পাকিস্তানের অন্দরে? নয়তো কেন একই নামের দুই বালোচ ব্যক্তির খোঁচ চলবে বা খুন হবে? রহস্য, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
{{/usCountry}}