জর্ডান এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিলের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির ওপর ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পেশ হল একটি প্রস্তাব। ইরানের দাদাগিরি বন্ধের সেই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে ভারত। ইরানকে অবিলম্বে সব ধরনের হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে সেই প্রস্তাবে। বুধবার ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ এই প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছে। এই প্রস্তাবের পক্ষে ১৩টি দেশ ভোট দেয়, বিপক্ষে কোনও ভোট পড়েনি। ভেটো ক্ষমতার অধিকারী চিন ও রাশিয়া ভোটদান থেকে বিরত ছিল। সব মিলিয়ে ১৩৫টি দেশ সমর্থন করে এই প্রস্তাবকে। ভারত ছাড়াও বাংলাদেশ, পাকিস্তানও এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে।

এদিকে রাষ্ট্রসংঘে এই প্রস্তাব পেশের আগে গত ১১ মার্চ হরমুজ প্রণালীতে থাইল্যান্ডের একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছিল ইরান। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতের গুজরাটের দিকে আসছিল। সেই সময় জাহাজটির ওপর হামলা হয়। এই আবহে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতি জারি করে এই হামলার তীব্র ভাষায় নিন্দা জানায়। থাই জাহাজটি হামলার শিকার হলে উদ্ধারকাজে নামে ওমানের নৌবাহিনী।
এরপর ১১ মার্চ রাতে ইরাকি জলসীমায় মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা চালায় ইরান। এদিকে ইরাকি জলসীমায় 'জেফিরোস' নামে আরও একটি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছিল ইরান। সব মিলিয়ে ১১ মার্চ রাতে হরমুজ প্রণালী এলাকায় পাঁচটি জাহাজে হামলা চালায় ইরান। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ২০টি জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর বলেছিল, আমেরিকা কিংবা তাদের মিত্রদের কোনও জাহাজ হরমজ প্রণালী দিয়ে পার হতে দেবে না তারা। এরপর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, হরমুজ দিয়ে এক ফোঁটা তেল তারা প্রবাহিত হতে দেবে না। তারপর আবার তারা দাবি করে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজকে পার হতে গেলে তাদের অনুমতি নিতে হবে। এরই মাঝে আবার ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলির উচিত মনে জোর এনে সেই এলাকা পার করা। তবে যা পরিস্থিতি, তাতে সেটা করা বেশ কঠিন।
তার আগে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট দাবি করেছিলেন, মার্কিন এক রণতরী নাকি হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা একটি জাহাজকে সেখান থেকে নিরাপত্তা দিয়ে বের করে আনে। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি পোস্টও করেন। পরে অবশ্য তিনি সেই পোস্টটি মুছে দেন। মার্কিন সেনা জানিয়ে দেয়, কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে বের করে আনেনি তারা। পরে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকেও জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে বের করে আনেনি মার্কিন রণতরী।
{{/usCountry}}তার আগে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট দাবি করেছিলেন, মার্কিন এক রণতরী নাকি হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা একটি জাহাজকে সেখান থেকে নিরাপত্তা দিয়ে বের করে আনে। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি পোস্টও করেন। পরে অবশ্য তিনি সেই পোস্টটি মুছে দেন। মার্কিন সেনা জানিয়ে দেয়, কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে বের করে আনেনি তারা। পরে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকেও জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে বের করে আনেনি মার্কিন রণতরী।
{{/usCountry}}