ভোট পরবর্তী বিহারের রীতিমতো উত্তাল রাজ্য রাজনীতি একদিকে আর কে সিং কে দল থেকে সাসপেন্ড করল বিজেপি। অন্যদিকে আরজেডি ২৫টি আসন পাওয়ায় রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন লালু প্রসাদের যাদবের কন্যা রোহিনী যাদব। ভোটের ফল ঘোষণার পর দিনই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রোহিণী। নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন লালুকন্যা। সেখানে রাজনীতি ছাড়ার পাশাপাশি নিজের ঘাড়েই পরাজয়ের দায় নিয়েছেন রোহিণী। পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে সবরকম সম্পর্কও ছিন্ন করলেন তিনি। তবে তাঁর পোস্টে সঞ্জয়ের পাশাপাশি রামিজ নামে আরেক ব্যক্তির কথাও রয়েছে। রোহিণীর দাবি, তাদের কথাতেই রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কিন্তু কে এই সঞ্জয় যাদব ও রামিজ?

সঞ্জয় যাদব আদতে আরজেডির রাজ্যসভার সাংসদ এবং আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদের পুত্র এবং উত্তরাধিকারী তেজস্বী যাদবের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহযোগীদের একজন বলে পরিচিত। পিটিআই সংবাদ সংস্থা খবর অনুযায়ী, রামিজ তেজস্বীর পুরনো বন্ধু। তিনি আবার প্রতিবেশী রাজ্য উত্তর প্রদেশের একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যও বটে। রোহিণী এই দুজনের কথাতেই রাজনীতি ছাড়লেন বলে জানিয়েছেন।
রোহিণী আচার্যের রাজনীতি
রোহিণী আচার্যের পোস্ট থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়নি, সঞ্জয় যাদব এবং রামিজ তাকে ঠিক কী বলেছিলেন। তাদের দুজনেরও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রোহিণী আচার্য কয়েক বছর আগে তার বাবাকে কিডনি দান করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন। গত বছরের লোকসভা নির্বাচনে সরণ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ব্যর্থ হন তিনি।
বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং জেডি(ইউ)-এর জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-এর কাছে আরজেডি এবং কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধন হেরে গিয়েছে শুক্রবার। তার পর দিনই রোহিণীর এই ঘোষণা। আরজেডি ২৪৩টি আসনের মধ্যে মাত্র ৩৫টি আসন জিতেছে।
কেন পরিবার ত্যাগ করলেন?
এই বছরের মে মাসে লালুপ্রসাদ যাদব তার বড় ছেলে তেজ প্রতাপ যাদবকে ছয় বছরের জন্য আরজেডি থেকে বহিষ্কার করেন। পাশাপাশি তাঁকে পরিবার থেকেও বহিষ্কার করেন। তেজ প্রতাপ যাদবের ফেসবুক পেজে একজন মহিলার সাথে তাঁর ছবি প্রকাশ্যে আসার পর এই ঘটনা ঘটে।ক্যাপশনে মহিলাকে তেজ প্রতাপ যাদব তার 'সঙ্গী' বলে উল্লেখ করেছিলেন। জল্পনা ছিল, তেজ প্রতাপ যাদবের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে রোহিণী আচার্য অসন্তুষ্ট ছিলেন। রাজনীতি ছাড়ার পাশাপাশি পরিবার ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত কি সেই কারণেই নিলেন রোহিণী?
{{/usCountry}}এই বছরের মে মাসে লালুপ্রসাদ যাদব তার বড় ছেলে তেজ প্রতাপ যাদবকে ছয় বছরের জন্য আরজেডি থেকে বহিষ্কার করেন। পাশাপাশি তাঁকে পরিবার থেকেও বহিষ্কার করেন। তেজ প্রতাপ যাদবের ফেসবুক পেজে একজন মহিলার সাথে তাঁর ছবি প্রকাশ্যে আসার পর এই ঘটনা ঘটে।ক্যাপশনে মহিলাকে তেজ প্রতাপ যাদব তার 'সঙ্গী' বলে উল্লেখ করেছিলেন। জল্পনা ছিল, তেজ প্রতাপ যাদবের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে রোহিণী আচার্য অসন্তুষ্ট ছিলেন। রাজনীতি ছাড়ার পাশাপাশি পরিবার ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত কি সেই কারণেই নিলেন রোহিণী?
{{/usCountry}}