...
...
Next Story

Putin on Modi: ভালো সম্পর্ক, তবু প্রতি বৈঠকেই প্রশ্ন মোদীর! ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কী বললেন পুতিন

পুতিনের বক্তব্য অনুযায়ী, মোদী এমন বিশ্বনেতাদের মধ্যে একজন, যাঁদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কিন্তু সেই ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি কঠিন প্রশ্ন করা থেকে পিছ পা হন না। বরং রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলতে থাকা সংঘাতের অবসান নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী।

Published on: Oct 2, 2026, 07:50:55 IST
Advertisement

Putin on Modi: বন্ধুত্বের সম্পর্ক হলেও আলোচনার টেবিলে প্রশ্ন তুলতে পিছপা হন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কথায়, দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও মোদী প্রায় প্রতি বৈঠকেই ইউক্রেনের যুদ্ধ কী ভাবে শেষ করা যায়, সেই প্রশ্ন তোলেন। রাশিয়ার সোচিতে ভালদাই ফোরামে বক্তৃতা করার সময় এই কথা বলেন পুতিন।

পুতিনের বক্তব্য অনুযায়ী, মোদী এমন বিশ্বনেতাদের মধ্যে একজন, যাঁদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।
পুতিনের বক্তব্য অনুযায়ী, মোদী এমন বিশ্বনেতাদের মধ্যে একজন, যাঁদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

পুতিনের বক্তব্য অনুযায়ী, মোদী এমন বিশ্বনেতাদের মধ্যে একজন, যাঁদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কিন্তু সেই ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি কঠিন প্রশ্ন করা থেকে পিছ পা হন না। বরং রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলতে থাকা সংঘাতের অবসান নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী।

পুতিন জানিয়েছেন, মোদীর কাছে এই সংঘাতের একটি সমাধান খোঁজার জন্য কিছু বাস্তবসম্মত ভাবনা রয়েছে। এমন একটি সমাধান, যা রাশিয়া এবং ইউক্রেন, দুই পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে। যুদ্ধের অবসানে শান্তিপূর্ণ পথ খোঁজার জন্য মোদীর ইচ্ছা এবং প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ভারত বলে আসছে, এই সংঘাতের সমাধান যুদ্ধের ময়দানে নয়, আলোচনার টেবিলেই খুঁজতে হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদীও একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুদ্ধ এবং সংঘাতের বদলে কূটনীতি ও আলোচনার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন। রাশিয়া এবং ইউক্রেন, দুই দেশের সঙ্গেই ভারতের যোগাযোগ রয়েছে। ফলে সংঘাতের সময়ে দিল্লির ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা হয়েছে।

তবে শুধু যুদ্ধ নয়, ভালদাই ফোরামে ভারত নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন পুতিন। ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রশংসা করে তিনি বলেছেন, নানা ভাষা, সংস্কৃতি এবং পরম্পরার মানুষ একসঙ্গে বসবাস করার বিষয়টি তাঁকে মুগ্ধ করে। তাঁর মতে, ভারতীয় সমাজের এই বৈচিত্র্যের অভিজ্ঞতা বিশ্বের অন্য দেশগুলিও অনুসরণ করতে পারে।

ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি কিরগিজস্তানের বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংগঠনের শীর্ষ বৈঠকের ফাঁকে মোদী এবং পুতিনের সাক্ষাৎ হয়েছে। সেখানে দুই নেতা দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, মহাকাশ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

ফলে পুতিনের বক্তব্যে একদিকে যেমন ভারত-রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ছবি উঠে এসেছে, তেমনই সামনে এসেছে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মোদীর ধারাবাহিক কূটনৈতিক অবস্থান। বন্ধুত্বের সম্পর্কের মধ্যেও প্রশ্ন তোলার সেই রাজনীতিই এখন আলোচনায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks