Americans fighting for Russian Army: যুদ্ধ করতে আমেরিকানদের নিয়োগ করছে রাশিয়া! নেপথ্যে টিকটক, ২৫ লাখ টাকা, কীভাবে?
Americans fighting for Russian Army: ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমেরিকানদের নাকি নিয়োগ করছে রাশিয়া। রিপোর্ট অনুযায়ী, টিকটক, ফেসবুক, টেলিগ্রামের মাধ্যমে নাকি নিয়োগ করা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে লাখ-লাখ টাকা।
Americans fighting for Russian Army: রাশিয়ার হয়ে লড়াইয়ের জন্য টেলিগ্রাম, টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নাকি আমেরিকানদের নিযুক্ত করছে মস্কো। ইউক্রেনের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইতিমধ্যে কমপক্ষে ১৮ জন আমেরিকানকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাঁরা রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের নাকি বোনাস হিসেবে দেওয়া হচ্ছে ২৬,০০০ মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৫ লাখ টাকা)। সঙ্গে থাকছে মাসিক বেতনের ব্যবস্থাও।

নিয়োগ করলে মাথাপিছু ২৪,০০০ ডলার পর্যন্ত বোনাস দেওয়া হবে
আর সেই পুরো 'নিয়োগ' প্রক্রিয়া সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য প্রার্থীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে ফেসবুক, টিকটক, টেলিগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। যাঁরা ওরকম প্রার্থী নিয়োগ করছেন, তাঁদের নাকি মাথাপিছু ২৪,০০০ ডলার পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাসিক বেতনের একাংশও নাকি তাঁদের দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রাক্তন মার্কিন মেরিনও যোগ দেন রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে
যাঁদের রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আমেরিকার অ্যারিজোনার এক প্রাক্তন মার্কিন মেরিন ছিলেন বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, রাশিয়ার বাহিনীতে যোগ দেওয়ার পরে মাসতিনেকের মধ্যে ইউক্রেনে মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের। তাঁর বয়স যখন ১৮ ছিল, তখন মার্কিন মেরিনে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিয়ম মেনে বাধ্যতামূলকভাবে কোভিড-১৯ টিকা নিতে রাজি না হওয়ায় চাকরি হারিয়েছিলেন। পরবর্তীতে যোগ দিয়েছিলেন রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে।
প্রাক্তন CIA কর্তার ছেলেও নাকি লড়েছেন রাশিয়ার হয়ে
সেই তালিকায় নাকি আমেরিকার প্রাক্তন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএয়ের এক আধিকারিকের ছেলেও ছিলেন। ওই রিপোর্ট অনুুযায়ী, ২০২৪ সালের এপ্রিলে ইউক্রেনে লড়াই করার সময় তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। ইউক্রেনের গোয়েন্দা বিভাগ ইতিমধ্যে আরও কয়েকজন মার্কিন নাগরিককে চিহ্নিত করেছে, যাঁরা রাশিয়ান সামরিক বাহিনীতে নাম লিখিয়েছিলেন।
তবে শুধু আমেরিকার লোকজন নন, রাশিয়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সামরিক বাহিনীতে লোক নিয়োগ করেছে। যাঁরা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে বিশ্বের ১৩৫টি দেশের প্রায় ২৯,০০০ জন রাশিয়ার হয়ে লড়াই করছেন। সেই কয়েকজনকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। আসল সংখ্যাটা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


