Tejas vs Chinese J35 Fighter Jet: তেজসই যথেষ্ট চিনা J35 জেটের জন্য! বিশেষ নেটওয়ার্কে জোর ভারতের, এখনও 'না' Su57-কে
Tejas vs Chinese J35 Fighter Jet: চিনের হাতে পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার জেট আছে। যা পাকিস্তানও পেয়ে যাবে। কিন্তু ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আপাতত পঞ্চম প্রজন্মের কোনও ফাইটার জেট নেই। তবে তেজস যুদ্ধবিমানই টেক্কা দিতে পারবে পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেটকে।
রাশিয়া একগুচ্ছ লোভনীয় প্রস্তাব দিয়েছে। তবে পঞ্চম প্রজন্মের ‘স্টেলথ’ ফাইটার জেট সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ভারত সরকার। নির্দিষ্টভাবে রাশিয়ার নাম না করলেও সংবাদমাধ্যম এনডিভিটির ডিফেন্স সামিটে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরকে সিং জানিয়েছেন, আপাতত বিদেশ থেকে পঞ্চম প্রজন্মের কোনও যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে ‘স্টেলথ’ (রেডারে ধরা যাবে না) AI নেটওয়ার্কের উপরে আস্থা রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব।

আধুনিক যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে ‘স্টেলথ’-র গুরুত্ব
আসলে আধুনিক যুদ্ধবিমানের ক্ষেত্রে ‘স্টেলথ’ প্রযুক্তি (পঞ্চম প্রজন্ম বা ফিফথ জেনারেশন) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমেরিকার হাতে তো স্টেলথ যুদ্ধবিমান আছেই। তবে ভারতের জন্য সবথেকে দুশ্চিন্তার বিষয় হল যে চিনও রেডারকে ফাঁকি দেওয়া জে-২০ এবং জে-৩৫ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছে। যে যুদ্ধবিমান পাকিস্তানও পাবে।
২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর হবে AMCA-র প্রোটোটাইপ আসতে
কিন্তু ভারত এখনও পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান থেকে অনেক দূরে আছে। ভারতের যে নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট AMCA, তা ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে এখনও কয়েক বছর লেগে যাবে। খোদ প্রতিরক্ষা সচিব জানিয়েছেন, AMCA-র প্রথম প্রোটোটাইপ আসতেই ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর হয়ে যাবে। সেই পরিস্থিতিতে রেডার ফাঁকি দেওয়ার মতো যুদ্ধবিমানের ঘাটতি নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।
তেজসই টেক্কা দেবে চিনের পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেটকে
আর সেখানেই ভারতের AI নেটওয়ার্ক কার্যকর হয়ে উঠবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব। ওই সামিটে তিনি জানিয়েছেন, চিনা জে-২০ এবং জে-৩৫ ফাইটার জেটের যে স্টেলথ বৈশিষ্ট্য আছে, তা ভারতের নিজস্ব তেজস যুদ্ধবিমানে থাকবে না। কিন্তু রেডার ফাঁকি দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ক্ষেত্রে আরও অন্যান্য উপায় আছে। ভালো প্রযুক্তির সঙ্গে অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ককে মিশিয়ে দিয়ে এমন অনেক কাজ করা যায়, যা ভাবাও যায় না। তথাকথিত স্টেলথ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ফারাক থাকলেও নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব।
আরও পড়ুন: NEET PG 2026: বায়ুসেনার দায়িত্ব সামলে পড়াশোনা! নিট পিজি-তে বাজিমাত ড. পাল্লাক্ষী প্রসাদের
সেই রেশ ধরে তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় বায়ুসেনার যে ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম আছে, তা দুর্দান্ত। সেটিকে এখন ভারতীয় সেনার নেটওয়ার্ক এবং এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানকে (তেজস বা রাফাল যুদ্ধবিমান) আরও ক্ষুরধার করে তোলার ক্ষেত্রে AI-র বাড়তি স্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


