কয়েকদিন আগেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় এক সংবাদমাধ্যমকে সায়নী ঘোষ বলেছিলেন, 'আমি চাড্ডা নই যে চাড্ডি হয়ে যাব।' ভোটে তৃণমূলের সোচনীয় হারের পরও মমতার পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সায়নী ঘোষ এখন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের দলে নাম লিখিয়েছেন। আজ তৃণমূল সাংসদদের বৈঠক হওয়ার কথা দিল্লিতে। এই আবহে বাকিদের মতো সায়নীও দিল্লিতে পৌঁছান। আর সেখানে পৌঁছাতেই বিমানবন্দরে তাঁকে ঘিরে নানা প্রশ্ন করতে থাকেন সাংবাদিকরা।

উল্লেখ্য, বিদ্রোহী সাংসদদের যে চিঠিটি প্রকাশ্যে এসেছে সেখানে ১০ নম্বরে রয়েছে তাঁর স্বাক্ষর। মালা রায়দের সঙ্গে মিলে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকও করেছেন সায়নী। আগে যাকে লম্বা চুল এবং মমতার মত সাদা শাড়ি, পায়ে চপ্পল পরে দেখা যেত, সেই সায়নী এখন মমতার বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর সদস্য। আর সায়নীকে তাঁর সেই পুরনো 'চাড্ডা' মন্তব্য স্মরণ করিয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, 'আপনি তো বলেছিলেন, আপনি চাড্ডা নন।' সেই প্রশ্ন এড়িয়ে সায়নী আজ বললেন, 'আমি আপনাকে কোনও জবাব দেব না, আমি আমার এলাকার ভোটারদের কাছে জবাবদিহি দেব।'
সূত্রের খবর, সোমবার বিক্ষুব্ধ সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন। তবে আরেকটি সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিদ্রোহীরা নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করে দলের সাংগঠনিক নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবি জানাতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে লোকসভায় দলনেতার পদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবর্তে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে। পাশাপাশি মুখ্য সচেতক পদে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে বহাল রাখার দাবিও তোলা হতে পারে।
এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের আগে রবিবার দিল্লিতে নিজের বাসভবনে বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে নৈশভোজ ও কৌশলগত বৈঠকের আয়োজন করেছেন কাকলি। সেখানে আগামী দিনের রণকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা। এর আগে প্রকাশ্যে আসা চিঠিতে ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেব, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, মালা রায়, ইউসুফ পাঠান-সহ একাধিক সাংসদ। পরে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে সংখ্যাটি ২০-এ পৌঁছায়। কাকলির দাবি অনুযায়ী, এখন সেই সংখ্যা বেড়ে ২২ হয়েছে।
{{/usCountry}}এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের আগে রবিবার দিল্লিতে নিজের বাসভবনে বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে নৈশভোজ ও কৌশলগত বৈঠকের আয়োজন করেছেন কাকলি। সেখানে আগামী দিনের রণকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা। এর আগে প্রকাশ্যে আসা চিঠিতে ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেব, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, মালা রায়, ইউসুফ পাঠান-সহ একাধিক সাংসদ। পরে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেন প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে সংখ্যাটি ২০-এ পৌঁছায়। কাকলির দাবি অনুযায়ী, এখন সেই সংখ্যা বেড়ে ২২ হয়েছে।
{{/usCountry}}